ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানকে হারিয়ে নেপালের বড় অঘটন রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোকচিত্রের দ্বিশতবর্ষ পূর্তি উদ্‌যাপন ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ মেরামত হচ্ছে ‘থ্রি আর’ কৌশলে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় সরকারি কর্মচারীদের টানা ৭ দিনের ছুটির সুযোগ যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বকে সতর্কবার্তা নেপালের যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘পান্ডা কূটনীতি’ জোরালো করছে চীন কাউন্টি ক্রিকেটে খালেদ আহমেদের দুর্দান্ত বোলিং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ৯ থেকে ১৫ গ্রেডে নিয়োগ মালয়েশিয়া সফরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধিতেও টিকিটের ভাড়া বাড়াচ্ছে না কাতার

রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোকচিত্রের দ্বিশতবর্ষ পূর্তি উদ্‌যাপন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ফটোগ্রাফির ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পোর্ট্রিয়েটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন দ্য পিপলসের সম্পাদক ও পোর্ট্রিয়েটের উপদেষ্টা ওসমান গণি মনসুর। সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক। আয়োজনে সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন পোর্ট্রিয়েটের প্রতিষ্ঠাতা রূপম চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, পোর্ট্রিয়েটের ২০০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক বুলবুল আহমেদ, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াস।

আলোচনা সভায় বক্তারা আলোকচিত্রের দীর্ঘ দুই শতাব্দীর ইতিহাস ও বিবর্তন নিয়ে আলোকপাত করেন। তারা জানান, ১৮২৬ সালে ফরাসি উদ্ভাবক নিকেফোর নিএপ্সের হাত ধরেই মূলত স্থায়ী আলোকচিত্র তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য আসে। পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে ডাগেরিওটাইপ পদ্ধতি প্রবর্তিত হলে ফটোগ্রাফি সাধারণ মানুষের কাছে একটি দৃশ্যমান মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বক্তারা বলেন, মানুষের স্মৃতি, ইতিহাস এবং সময়কে সঠিকভাবে ধরে রাখার ক্ষেত্রে ফটোগ্রাফি অন্যতম শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, সময়ের পরিক্রমায় প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়নে ক্যামেরার আকার ছোট হওয়ার পাশাপাশি ছবি ধারণের গতি ও সহজলভ্যতা বেড়েছে। ফিল্ম ক্যামেরার যুগ পেরিয়ে বর্তমান ডিজিটাল ক্যামেরা ও স্মার্টফোনের এই সময়ে ফটোগ্রাফি আরও ব্যাপকতা পেয়েছে। সংবাদ, বিজ্ঞান, শিল্প-সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিজীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো সংরক্ষণে ফটোগ্রাফির ভূমিকা অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন তারা।

বক্তারা মনে করেন, অনেক সময় দীর্ঘ বর্ণনার চেয়ে একটি স্থিরচিত্র কোনো ঘটনা বা সময়ের প্রতিচ্ছবিকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে সক্ষম। দুই শতাব্দীর এই দীর্ঘ পথচলায় ফটোগ্রাফি কেবল প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং স্মৃতি সংরক্ষণের অপরিহার্য মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাই এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোকচিত্রের দ্বিশতবর্ষ পূর্তি উদ্‌যাপন

আপডেট সময় : ০৩:০০:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ফটোগ্রাফির ২০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পোর্ট্রিয়েটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন দ্য পিপলসের সম্পাদক ও পোর্ট্রিয়েটের উপদেষ্টা ওসমান গণি মনসুর। সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক। আয়োজনে সঞ্চালকের দায়িত্বে ছিলেন পোর্ট্রিয়েটের প্রতিষ্ঠাতা রূপম চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, পোর্ট্রিয়েটের ২০০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক বুলবুল আহমেদ, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াস।

আলোচনা সভায় বক্তারা আলোকচিত্রের দীর্ঘ দুই শতাব্দীর ইতিহাস ও বিবর্তন নিয়ে আলোকপাত করেন। তারা জানান, ১৮২৬ সালে ফরাসি উদ্ভাবক নিকেফোর নিএপ্সের হাত ধরেই মূলত স্থায়ী আলোকচিত্র তৈরির ক্ষেত্রে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য আসে। পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে ডাগেরিওটাইপ পদ্ধতি প্রবর্তিত হলে ফটোগ্রাফি সাধারণ মানুষের কাছে একটি দৃশ্যমান মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বক্তারা বলেন, মানুষের স্মৃতি, ইতিহাস এবং সময়কে সঠিকভাবে ধরে রাখার ক্ষেত্রে ফটোগ্রাফি অন্যতম শক্তিশালী ও কার্যকর মাধ্যম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, সময়ের পরিক্রমায় প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়নে ক্যামেরার আকার ছোট হওয়ার পাশাপাশি ছবি ধারণের গতি ও সহজলভ্যতা বেড়েছে। ফিল্ম ক্যামেরার যুগ পেরিয়ে বর্তমান ডিজিটাল ক্যামেরা ও স্মার্টফোনের এই সময়ে ফটোগ্রাফি আরও ব্যাপকতা পেয়েছে। সংবাদ, বিজ্ঞান, শিল্প-সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিজীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো সংরক্ষণে ফটোগ্রাফির ভূমিকা অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন তারা।

বক্তারা মনে করেন, অনেক সময় দীর্ঘ বর্ণনার চেয়ে একটি স্থিরচিত্র কোনো ঘটনা বা সময়ের প্রতিচ্ছবিকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে সক্ষম। দুই শতাব্দীর এই দীর্ঘ পথচলায় ফটোগ্রাফি কেবল প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং স্মৃতি সংরক্ষণের অপরিহার্য মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাই এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

Facebook Comments Box