ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে শসার বাম্পার ফলন: দুই হাজার টন উৎপাদনের সম্ভাবনা চীনের ঋণের বদলে যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহী বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী বিরোধী দলকে ভোট দিলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে,নির্বাচনী প্রচারনায়-মির্জা ফয়সল ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন হবে না- ইসি সানাউল্লাহ দৌলতপুরে জোড়া খুনের মামলার শুটার টুয়েল ফরাজী ১ দিনের রিমান্ডে: চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান তাহিরপুরের অভিযান দেখলেই ওষুধের দোকান বন্ধ রাণীশংকৈলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন  ডোমারে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিভে গেল ২৬ বছরের প্রাণ ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা

মাদারগঞ্জে শসার বাম্পার ফলন: দুই হাজার টন উৎপাদনের সম্ভাবনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এ বছর শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও সন্তোষজনক বাজারমূল্য পাওয়ায় হাসি ফুটেছে স্থানীয় কৃষকদের মুখে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে প্রায় ৬০ হেক্টর জমিতে আগাম শসার আবাদ হয়েছে। আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা এই শসা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার এখান থেকে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন শসা উৎপাদনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন গ্রিন বিউটি, জাদু, জিনিয়া ও ময়নামতির মতো উন্নত জাতের শসার সমারোহ। ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকদের কেউ গাছ গোছাচ্ছেন, কেউ সেচ দিচ্ছেন, আবার কেউ সদ্য তোলা শসা বস্তাবন্দি করে বাজারে পাঠাচ্ছেন। স্থানীয় পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং খুচরা পর্যায়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্বল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় শসা চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

ফুলজোড় এলাকার কৃষক সাইদুর রহমানের ভাষ্যমতে, বীজ বপনের মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মাথায় গাছে শসা ধরতে শুরু করে। ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় তিনি বেশ আশাবাদী। একই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নাংলা এলাকার চাষি তৈয়ব আলী। তিনি জানান, প্রতি বিঘা জমিতে শসা চাষে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভালো হলে তা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। সার, সেচ, শ্রমিক খরচ এবং পরিবহন ব্যবস্থা মিলিয়ে লাভের বিষয়টি নির্ধারিত হলেও বর্তমান বাজারে দাম ভালো থাকায় তিনি সন্তুষ্ট। মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, এখানকার মাটি শসা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে ফলন বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীতে চাষাবাদের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন অনেক কৃষক।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে শসার বাম্পার ফলন: দুই হাজার টন উৎপাদনের সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এ বছর শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও সন্তোষজনক বাজারমূল্য পাওয়ায় হাসি ফুটেছে স্থানীয় কৃষকদের মুখে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে প্রায় ৬০ হেক্টর জমিতে আগাম শসার আবাদ হয়েছে। আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করা এই শসা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার এখান থেকে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন শসা উৎপাদনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন গ্রিন বিউটি, জাদু, জিনিয়া ও ময়নামতির মতো উন্নত জাতের শসার সমারোহ। ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকদের কেউ গাছ গোছাচ্ছেন, কেউ সেচ দিচ্ছেন, আবার কেউ সদ্য তোলা শসা বস্তাবন্দি করে বাজারে পাঠাচ্ছেন। স্থানীয় পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি শসা বর্তমানে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এবং খুচরা পর্যায়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্বল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় শসা চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।

ফুলজোড় এলাকার কৃষক সাইদুর রহমানের ভাষ্যমতে, বীজ বপনের মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মাথায় গাছে শসা ধরতে শুরু করে। ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় তিনি বেশ আশাবাদী। একই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নাংলা এলাকার চাষি তৈয়ব আলী। তিনি জানান, প্রতি বিঘা জমিতে শসা চাষে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভালো হলে তা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। সার, সেচ, শ্রমিক খরচ এবং পরিবহন ব্যবস্থা মিলিয়ে লাভের বিষয়টি নির্ধারিত হলেও বর্তমান বাজারে দাম ভালো থাকায় তিনি সন্তুষ্ট। মাদারগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, এখানকার মাটি শসা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে ফলন বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীতে চাষাবাদের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন অনেক কৃষক।

Facebook Comments Box