মহালয়ায় কলকাতায় পার্টি অফিস খুলছে আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party)
- আপডেট সময় : ০২:৫১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলায় সংগঠন গড়ে তোলার ভাবনা শুরু করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। সেই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে দক্ষিণ কলকাতায় স্থায়ী রাজ্য দফতর খুলতে চলেছে আম আদমি পার্টি (আপ)। সব ঠিক থাকলে মহালয়ার দিনই দফতরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
বিরোধীদল হয়েও দেশের দুটি রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রেখেছে আম আদমি পার্টি। একটি নয়াদিল্লিতে। দ্বিতীয়টি পাঞ্জাব। আর বছর ঘুরলেই বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই বাংলায় সংগঠন গড়ে তোলার ভাবনা শুরু করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। সেই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে দক্ষিণ কলকাতায় স্থায়ী রাজ্য দফতর খুলতে চলেছে আম আদমি পার্টি (আপ)। সব ঠিক থাকলে মহালয়ার দিনই দফতরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। আর সেটা করবেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আপের কেন্দ্রীয় নেতা সঞ্জয় বসু। রুবি মোড়ের কাছে হালতুর হাসপাতাল রোডে হবে আপের রাজ্য দফতর।
ঠিক কী বলেছেন আপের কেন্দ্রীয় নেতা? বাংলায় রাজ্য দফতর খোলা নিয়ে আপ নেতা সঞ্জয় বসু বলেন, ‘প্রথমে প্রত্যেকটি জেলায় আমরা শক্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এখন বেশ কয়েকটি জেলায় সংগঠন শক্তিশালী হয়েছে। তাই বাংলায় রাজ্য দফতর জরুরি হয়ে পড়েছিল। অনেক দিন ধরেই ভাল জায়গার খোঁজ করা হচ্ছিল। অবশেষে রাজ্যে যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন তাঁরা সেটি চূড়ান্ত করেছেন।’ আপ সূত্রে খবর, কয়েকটি জেলায় দলের দফতর রয়েছে। দুর্গাপুর, মেদিনীপুর, কোচবিহার শহরে স্থায়ী দফতর হয়েছে। এবার কলকাতায় হতে চলেছে আপের দফতর।
তাহলে কী বাংলা দখল করতে চায় আপ? কলকাতায় দলের রাজ্য দফতর খুললেও তেমন কোনও কাজ এখনই করতে চায় না আপ। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতা সঞ্জয় বসু বলেন, ‘এখন আমাদের পাখির চোখ গুজরাত বিধানসভা নির্বাচন। দলীয় সিদ্ধান্ত রয়েছে, একটি করে রাজ্যের দিকে নজর দেওয়া হবে। গুজরাতে আমরা জেতার মতো জায়গায় রয়েছি। তাই এখন অন্য রাজ্যের দিকে নজর নয়।’ সূত্রের খবর, গুজরাতে ভোটের পরে নয়াদিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল কলকাতায় আসবেন।
তাহলে বাংলায় রাজ্য দফতর খুলে লাভ কী? বাংলায় আগে কেজরিওয়ালের দল নিজেদের অ্যাজেন্ডা মানুষের কাছে তুলে ধরতে চায়। এই বিষয়ে সঞ্জয় বসু বলেন, ‘বাংলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু মানুষ আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চাইছেন। কলকাতায় স্থায়ী ঠিকানা না হওয়ার দরুণ সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বাংলায় দফতর করার ছাড়পত্র দেয়। আমরা আগেই বলেছি, যেখানে সংগঠন থাকবে সেখানে লড়াই হবে। আবার যোগ্য প্রার্থীও থাকা প্রয়োজন। লোকসভা নির্বাচনের আগে অনেক সময় রয়েছে। গুজরাতের নির্বাচনে সাফল্য মেলার পরে সব ভাবা যাবে।’কবে আসছেন কেজরিওয়াল এ নিয়ে চলছে কানা ঘুষা
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ






















