ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মৌলভীবাজার: পর্যটন জেলা ঘোষণার ১৮ বছরেও অধরা উন্নয়ন আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস: নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে কর্মসূচি জাতিসংঘে ৮১তম অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামুদ্রিক নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের গুরুত্বারোপ: প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জোরদার পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা: ৩০ সেকেন্ডের গেরিলা কৌশলে আতঙ্ক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় সারির দল পাঠাবে ভারত পরিচালনায় নতুন গল্প নিয়ে ফিরছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাণ্ডব: দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি নাহিদের পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম গঠন

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সুরকার নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সুরকার নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সুরকার নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক  সাইটগুলোতে এসব ভুল তথ‍্য প্রচার করা হচ্ছে।জাতীয় সংগীতের সুরকার হিসেবে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে  ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ই অগাস্ট থেকে গত দু-তিন ধরে নানা সামাজিক মাধ্যমে এবং মেসেজিং অ্যাপে কিছু মেসেজ ছড়ানো হচ্ছে। যাতে দেশটির জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সুরকার নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক – যারা দেশটির জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীতের মতো প্রতীকের মর্যাদা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটে এ নিয়ে পরিষ্কারভাবে লেখা আছে যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ও সংগীত আরোপিত ‘জন গণ মন’ নামে পরিচিত গানটির প্রথম স্তবকটিই জাতীয় সঙ্গীত।

রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞরা একাধিক প্রমাণ দিয়ে বলছেন, ‘জন গণ মন’ এর সুর রবীন্দ্রনাথের দেওয়া এবং বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের কোনও অবকাশ নেই। বিবিসি বাংলাও এর স্বপক্ষে একাধিক প্রমাণ খুঁজে বের করেছে।

সম্প্রতি যেসব বিভ্রান্তিমূলক এবং ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তার ভিত্তি হচ্ছে সুভাষ চন্দ্র বসুর সহযোগী ও আজাদ হিন্দ ফৌজের ক্যাপ্টেন রাম সিং ঠাকুরির একটি পুরণো দাবি। তার দাবি হচ্ছে, বর্তমানে যে সুরে জনগণমন গাওয়া হয়, সেটি তাঁর করা সুর।

মি. ঠাকুরি একটি বিখ্যাত গান, যা আজাদ হিন্দ ফৌজ এবং পরবর্তীতে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অন্যতম মার্চিং সং হিসাবে বাজানো হয়, সেই ‘কদম কদম বাঢ়ায়ে যা’-এর রচয়িতা এবং সুরকার।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুর দেওয়া ‘জন গণ মন’ ক্যাপ্টেন রাম সিং ঠাকুরির সুরারোপিত গান বলে চালানোর প্রচেষ্টার পিছনে হিন্দুত্ববাদীদের হাত আছে কী না, সেটাও একটা খতিয়ে দেখার বিষয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

তথ্য সুত্র ও ছবি

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সুরকার নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে

আপডেট সময় : ০৯:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৩

ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সুরকার নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক  সাইটগুলোতে এসব ভুল তথ‍্য প্রচার করা হচ্ছে।জাতীয় সংগীতের সুরকার হিসেবে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে  ছড়ানো হচ্ছে বিভ্রান্তি।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস ১৫ই অগাস্ট থেকে গত দু-তিন ধরে নানা সামাজিক মাধ্যমে এবং মেসেজিং অ্যাপে কিছু মেসেজ ছড়ানো হচ্ছে। যাতে দেশটির জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’-এর সুরকার নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে।

ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক – যারা দেশটির জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীতের মতো প্রতীকের মর্যাদা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটে এ নিয়ে পরিষ্কারভাবে লেখা আছে যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ও সংগীত আরোপিত ‘জন গণ মন’ নামে পরিচিত গানটির প্রথম স্তবকটিই জাতীয় সঙ্গীত।

রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞরা একাধিক প্রমাণ দিয়ে বলছেন, ‘জন গণ মন’ এর সুর রবীন্দ্রনাথের দেওয়া এবং বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের কোনও অবকাশ নেই। বিবিসি বাংলাও এর স্বপক্ষে একাধিক প্রমাণ খুঁজে বের করেছে।

সম্প্রতি যেসব বিভ্রান্তিমূলক এবং ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তার ভিত্তি হচ্ছে সুভাষ চন্দ্র বসুর সহযোগী ও আজাদ হিন্দ ফৌজের ক্যাপ্টেন রাম সিং ঠাকুরির একটি পুরণো দাবি। তার দাবি হচ্ছে, বর্তমানে যে সুরে জনগণমন গাওয়া হয়, সেটি তাঁর করা সুর।

মি. ঠাকুরি একটি বিখ্যাত গান, যা আজাদ হিন্দ ফৌজ এবং পরবর্তীতে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর অন্যতম মার্চিং সং হিসাবে বাজানো হয়, সেই ‘কদম কদম বাঢ়ায়ে যা’-এর রচয়িতা এবং সুরকার।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুর দেওয়া ‘জন গণ মন’ ক্যাপ্টেন রাম সিং ঠাকুরির সুরারোপিত গান বলে চালানোর প্রচেষ্টার পিছনে হিন্দুত্ববাদীদের হাত আছে কী না, সেটাও একটা খতিয়ে দেখার বিষয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

তথ্য সুত্র ও ছবি

Facebook Comments Box