ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দারুল আদালত: চট্টগ্রামের চারশ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী পানছড়িতে স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ শেষে ৩৮ জনকে সনদ প্রদান বোয়িংয়ের সাথে ১১ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির ব্যয় ২৮৬ কোটি রুপি কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ৬২৪ জন আটক বোয়িং থেকে ১১ নতুন উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের দুই বন্দীর মৃত্যু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই বিশ্ব গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যতের বাসযোগ্য শহর নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে লেকচার দিলেন ক্যাম্পাসের স্থপতি ওয়ং মান সাম

পানছড়িতে স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ শেষে ৩৮ জনকে সনদ প্রদান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে স্থানীয় মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তিন সপ্তাহব্যাপী একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। পানছড়ি সাবজোনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ শেষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে অংশগ্রহণকারী ৩৮ জনের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জোনের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মেজর মো. আশরাফুল কবির। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. অনুতোষ চাকমা।

দীর্ঘ তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গর্ভকালীন সময়ে মায়ের বিশেষ যত্ন ও পরিচর্যা, নিরাপদ প্রসব পদ্ধতি, নবজাতক ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসার কলাকৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, অর্জিত এই জ্ঞান স্থানীয় পর্যায়ে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নানাবিধ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এই স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণটিও মূলত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও তাদের স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা তৈরির অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ পাহাড়ি এলাকার মানুষের আত্মনির্ভরশীলতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। স্থানীয় জনগণের প্রয়োজনে এ ধরনের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পিছিয়ে থাকা জনপদগুলোর টেকসই সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বাস্তব দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পানছড়িতে স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ শেষে ৩৮ জনকে সনদ প্রদান

আপডেট সময় : ১২:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে স্থানীয় মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তিন সপ্তাহব্যাপী একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। পানছড়ি সাবজোনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ শেষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে অংশগ্রহণকারী ৩৮ জনের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জোনের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মেজর মো. আশরাফুল কবির। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. অনুতোষ চাকমা।

দীর্ঘ তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গর্ভকালীন সময়ে মায়ের বিশেষ যত্ন ও পরিচর্যা, নিরাপদ প্রসব পদ্ধতি, নবজাতক ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসার কলাকৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, অর্জিত এই জ্ঞান স্থানীয় পর্যায়ে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নানাবিধ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এই স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণটিও মূলত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি ও তাদের স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা তৈরির অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ পাহাড়ি এলাকার মানুষের আত্মনির্ভরশীলতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। স্থানীয় জনগণের প্রয়োজনে এ ধরনের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পিছিয়ে থাকা জনপদগুলোর টেকসই সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বাস্তব দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

Facebook Comments Box