ধর্মপাশায় দুই অফিস সহকারির অবৈধভাবে চেক হস্তান্তরের দায়ে শোকজ
- আপডেট সময় : ০৬:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় টাকার বিনিময়ে পিআইসিদের কাছে চেক হস্থান্তরের অভিযোগ উঠায় ইউএনও অফিসের দুই কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন, ইউএনও কার্যালয়ের অফিস সহকারী জাকির হোসেন ও জারীকারক বিপুল চন্দ্র দাস।
মঙ্গলবার ৬মার্চ বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁরই কার্যালয়ের ওই দুই কর্মচারীকে আগামি ৭ দিনের মধ্যে সঠিক জবাব দেওয়ার জন্য এ কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চেক প্রদানের সময় পিআইসিদের কাছ থেকে টাকা রেখে চেক প্রদান করার অভিযোগ উঠে ওই দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ে ছাড় হওয়া বরাদ্দের টাকার চেক প্রদান করার সময় একহাজার টাকা করে রাখা হয়েছে বলে পিআইসিদের অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে প্রথম পর্যায়ে পিআইসিদের কাছ থেকে চেক প্রদানের সময় টাকা রাখার বিষয়ে সহকারী জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে।
তখন জাকির হোসেনকে এ ব্যাপারে সতর্ক করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধর্মপাশা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কর্যালয়ের জারীকারক বিপুল চন্দ্র দাস পিআইসিদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে রাখার পর অফিস সহকারী জাকির হোসেন চেক প্রদান করছেন।
এ সময় অনৈতিক ভাবে টাকা রাখার দৃশ্যটির ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কর্যালয়ের অফিস সহকারী জাকির হোসেন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যেসব পিআইসির সভাপতিরা খুশি হয়ে টাকা দিয়েছে তাদের কাছথেকে আমি টাকা রেখেছি।
এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি শীতেষ চন্দ্র সরকার কারণ দর্শানোর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপযুক্ত জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























