ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাটোর থেকে জার্মান পর্যটকের হারানো ল্যাপটপ উদ্ধার জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে এমপিদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ রাণীশংকৈলে শয়নকক্ষ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: মায়ের মামলায় অপমৃত্যুর তদন্ত এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর

ধর্মপাশায় দুই অফিস সহকারির অবৈধভাবে চেক হস্তান্তরের দায়ে শোকজ 

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

ধর্মপাশায় দুই অফিস সহকারির অবৈধভাবে চেক হস্তান্তরের দায়ে শোকজ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় টাকার বিনিময়ে পিআইসিদের কাছে চেক হস্থান্তরের অভিযোগ উঠায় ইউএনও অফিসের দুই কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন, ইউএনও কার্যালয়ের অফিস সহকারী জাকির হোসেন ও জারীকারক বিপুল চন্দ্র দাস।

মঙ্গলবার ৬মার্চ বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁরই কার্যালয়ের ওই দুই কর্মচারীকে আগামি ৭ দিনের মধ্যে সঠিক জবাব দেওয়ার জন্য এ কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চেক প্রদানের সময় পিআইসিদের কাছ থেকে টাকা রেখে চেক প্রদান করার অভিযোগ উঠে ওই দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ে ছাড় হওয়া বরাদ্দের টাকার চেক প্রদান করার সময় একহাজার টাকা করে রাখা হয়েছে বলে পিআইসিদের অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে প্রথম পর্যায়ে পিআইসিদের কাছ থেকে চেক প্রদানের সময় টাকা রাখার বিষয়ে সহকারী জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে।

তখন জাকির হোসেনকে এ ব্যাপারে সতর্ক করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধর্মপাশা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কর্যালয়ের জারীকারক বিপুল চন্দ্র দাস পিআইসিদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে রাখার পর অফিস সহকারী জাকির হোসেন চেক প্রদান করছেন।

এ সময় অনৈতিক ভাবে টাকা রাখার দৃশ্যটির ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কর্যালয়ের অফিস সহকারী জাকির হোসেন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যেসব পিআইসির সভাপতিরা খুশি হয়ে টাকা দিয়েছে তাদের কাছথেকে আমি টাকা রেখেছি।

এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি শীতেষ চন্দ্র সরকার কারণ দর্শানোর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপযুক্ত জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধর্মপাশায় দুই অফিস সহকারির অবৈধভাবে চেক হস্তান্তরের দায়ে শোকজ 

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় টাকার বিনিময়ে পিআইসিদের কাছে চেক হস্থান্তরের অভিযোগ উঠায় ইউএনও অফিসের দুই কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন, ইউএনও কার্যালয়ের অফিস সহকারী জাকির হোসেন ও জারীকারক বিপুল চন্দ্র দাস।

মঙ্গলবার ৬মার্চ বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁরই কার্যালয়ের ওই দুই কর্মচারীকে আগামি ৭ দিনের মধ্যে সঠিক জবাব দেওয়ার জন্য এ কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চেক প্রদানের সময় পিআইসিদের কাছ থেকে টাকা রেখে চেক প্রদান করার অভিযোগ উঠে ওই দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজের দ্বিতীয় পর্যায়ে ছাড় হওয়া বরাদ্দের টাকার চেক প্রদান করার সময় একহাজার টাকা করে রাখা হয়েছে বলে পিআইসিদের অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে প্রথম পর্যায়ে পিআইসিদের কাছ থেকে চেক প্রদানের সময় টাকা রাখার বিষয়ে সহকারী জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে।

তখন জাকির হোসেনকে এ ব্যাপারে সতর্ক করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধর্মপাশা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কর্যালয়ের জারীকারক বিপুল চন্দ্র দাস পিআইসিদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে রাখার পর অফিস সহকারী জাকির হোসেন চেক প্রদান করছেন।

এ সময় অনৈতিক ভাবে টাকা রাখার দৃশ্যটির ভিডিও ধারণ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কর্যালয়ের অফিস সহকারী জাকির হোসেন অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যেসব পিআইসির সভাপতিরা খুশি হয়ে টাকা দিয়েছে তাদের কাছথেকে আমি টাকা রেখেছি।

এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি শীতেষ চন্দ্র সরকার কারণ দর্শানোর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উপযুক্ত জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box