দীর্ঘ আট মাস পর উৎপাদনে ফিরল যমুনা সার কারখানা
- আপডেট সময় : ০১:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল) দীর্ঘ আট মাসের স্থবিরতা কাটিয়ে পুনরায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। মঙ্গলবার ভোরে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার তৈরির প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন উৎপাদন শাখার বিভাগীয় প্রধান ফজলুল হক রতন। মূলত তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে গত আট মাস ধরে এই কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ ছিল। জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ৮ মাস পর উৎপাদনে ফিরেছে যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল)।
পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটে গত ২০ সেপ্টেম্বর, যখন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড কারখানায় পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। এরপর থেকেই কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদনের প্রাথমিক প্রস্তুতি বা স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে আসছিল। কারখানাটির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন জানান, এক সময় গ্যাসের চাপ ২৬ থেকে ২৭ পিএসআই-এ নেমে আসলেও মঙ্গলবার রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে চাপ বেড়ে ৩৮ থেকে ৩৯ পিএসআই-এ পৌঁছায়, যা কারখানাটি পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি করে দেয়।
উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালের ১লা জুলাই বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই কারখানাটি বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কারখানাটির স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য ৪২ পিএসআই চাপের গ্যাসের প্রয়োজন হয় এবং এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন। তবে কারখানাটি পুরোনো হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে শতভাগ উৎপাদন সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় ও কারখানা সূত্র সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯২ সালের ১লা জুলাই যমুনা সার কারখানাটি বাণিজ্যিকভাবে দানাদার ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করে।
মহাব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন আরও জানান, কারখানার সার্বিক সক্ষমতা ও বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে তারা এখন দৈনিক ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছেন। আশা করা হচ্ছে, এই উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সারের চাহিদা পূরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























