সাপাহারে মাদ্রাসার নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১১:১১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
সাপাহারে মাদ্রাসার নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাপানিয়া কে এম ফাজিল মাদ্রাসার ৪টি পদের জন্য পছন্দের প্রার্থীকে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঐ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আলাউদ্দীন সিরাজীর বিরুদ্ধে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ও মাদ্রাসা কতৃপক্ষের বিরোধ চরমে পৌছেছে। অধ্যক্ষকে মারধর করেছে উত্তেজিত জনতা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে সম্প্রতি মাদ্রাসার সামনে দুপক্ষই পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন করেছে।বিষয়টি সুষ্ট তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকার মো:কামরুল ,দেলোয়ার ,সারোয়ার ও বাবুল হোসেন।
পড়ুন>>গোবিপ্রবিতে ১৯ প্রভাষক নিয়োগ, বেতন ৪৪ হাজার টাকা
অভিযোগ ও তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ৯ তারিখে পত্রিকার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ২জন ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট পদার্থ ও রসায়ন এবং অফিস সহায়ক ২জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এতে ৪টি পদের বিপরীতে ৩৫জন আবেদন করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়,গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পরীক্ষার আগের দিন (১৭ সেপ্টেম্বর ) একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্ভাব্য ফলাফল প্রকাশ করা হয়।পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফল সম্ভাব্য ফলাফলে সাথে হুবহু মিলে গেলে অনিয়মের অভিযোগ উঠে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেওয়া হয় ১৭ সেপ্টেম্বর। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার সময় পরীক্ষা অনুষ্টিত হওয়ার কথা থাকলেও তা ১১টায় অনুষ্টিত হয়। প্রার্থীরা অভিযোগ করেন পছন্দের প্রার্থী সময় মতো না আসায় পরীক্ষাটি দেরি করে নেওয়া হয়।
পড়ুন>>বাবার ধার করা টাকা আর প্রত্যাখ্যান পেরিয়ে সাফল্যের চূড়ায়
এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে পরীক্ষা বাতিল করে পুন:নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার জন্য একটি মানববন্ধন করেন। পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এলাকাবাসী ও পরীক্ষার্থীদের। অভিযোগ রয়েছে ৩৬লাখ টাকার বিনিময়ে চারজনের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এই ঘটনার জেরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর সকালে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির একটি বৈঠক হচ্ছিল।
এসময় ৫০-৬০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল মিটিংএর মধ্যে ঢুকে মারধর শুরু করে। এতে অধ্যক্ষ গুরুত্বর আহত হন। নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ও ঐ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নিয়োগ পরীক্ষার দিন উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। সম্প্রতি ঐ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আলাউদ্দীন সিরাজীর অর্থ লেনদেনের একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। তবে সেখানে একজন ব্যক্তি টাকা হাতে এবং অধ্যক্ষ খালি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন।
আরও পড়ুন>>ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, ভোট ২৯ অক্টোবর
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী জানান,৩৬লাখ টাকার বিনিময়ে পছন্দের চারজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে । তারা দাবী করেন নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে পুন:নিয়োগ দেওয়া হোক।
এ বিষয়ে কে এম ফাজিল মাদ্রার অধ্যক্ষ আলাউদ্দীন সিরাজী সকল অভিযোগ অস্বীকার করে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,১৬ সেপ্টেম্বর ডিজির প্রতিনিধির কাছ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার সময় নিয়োগ পরীক্ষার জন্য চিঠি পায় এবং ১৭সেপ্টেম্বর প্রবেশপত্র বিতরণ করি। পরীক্ষার দিন বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষা ১১টার সময় শুরু হয়। ২৫ সেপ্টেম্বর ম্যানেজিং কমিটির মিটিং চলাকালে এক দল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও আমাকে মারধর করে।
টাকা লেনদেনের ভিডিও ব্যাপারে তিনি বলেন,
হাপানিয়া কে এম ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আজিজার রহমানের ছেলে চাকুরী প্রার্থী ছিলেন। তিনি আমাকে কিছু টাকা দিয়ে তার ছেলেকে নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে। আমি তা গ্রহণ করিনি।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























