ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে সবজির দাম এখনও বেশ চড়া। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। এছাড়া বেশির ভাগ সাধারণ সবজি যেমন বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের জন্য ক্রেতাদের কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। সবচেয়ে কম দামে কেবল পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি ৩০ টাকা। তবে শসার দামে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে; সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলছে কাঁচা মরিচের দামে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে মরিচ ২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত উঠেছিল, তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে এই দাম কমেছে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়ার মতে, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তিনি বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ ৪০ টাকায় কিনেছেন। সবজির পাশাপাশি টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংস ও ডিমের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে; প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা এবং হালি ৫৫ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতা মাসুম।

মাছের বাজারেও আগের উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজিতে মিলছে। বড় রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতা সুলতান আহমেদের ভাষ্যমতে, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে মাছের দাম নির্ধারিত হয়, যা সকাল ও বিকেলের মধ্যে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করতে পারে। মাছের আকার, জীবিত বা মৃত হওয়া এবং বাজারভেদে দামে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে।

অন্যান্য মাছের দামের চিত্র হলো: পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০-৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০-৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা এবং বাইম ৬০০-৮০০ টাকা কেজি। এছাড়া দেশি কই ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং আকারভেদে চাষের শিং ৩০০-৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিতে হাজার টাকার বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা

আপডেট সময় : ১২:২০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাজারে সবজির দাম এখনও বেশ চড়া। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। এছাড়া বেশির ভাগ সাধারণ সবজি যেমন বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের জন্য ক্রেতাদের কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। সবচেয়ে কম দামে কেবল পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি ৩০ টাকা। তবে শসার দামে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে; সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলছে কাঁচা মরিচের দামে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে মরিচ ২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত উঠেছিল, তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে এই দাম কমেছে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়ার মতে, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তিনি বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ ৪০ টাকায় কিনেছেন। সবজির পাশাপাশি টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংস ও ডিমের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে; প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা এবং হালি ৫৫ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতা মাসুম।

মাছের বাজারেও আগের উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজিতে মিলছে। বড় রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতা সুলতান আহমেদের ভাষ্যমতে, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে মাছের দাম নির্ধারিত হয়, যা সকাল ও বিকেলের মধ্যে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করতে পারে। মাছের আকার, জীবিত বা মৃত হওয়া এবং বাজারভেদে দামে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত পার্থক্য রয়েছে।

অন্যান্য মাছের দামের চিত্র হলো: পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০-৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০-৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা এবং বাইম ৬০০-৮০০ টাকা কেজি। এছাড়া দেশি কই ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং আকারভেদে চাষের শিং ৩০০-৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিতে হাজার টাকার বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে।

Facebook Comments Box