নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ১০:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরের মতোই এবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ব্যাপারে নিজের দৃঢ় আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছেন। গত বছর জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তিনি আটটি আন্তর্জাতিক সংঘাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন বলে দাবি করেন এবং এর ভিত্তিতেই তিনি এই পুরস্কারের যোগ্য বলে মনে করেন। যদিও পুরস্কারটি তিনি জিতবেন কি না, তা নিয়ে নিজের মনেই সংশয় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, তবে গতবার পরোক্ষভাবে এটি পেয়ে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করেছি। লেক অব টরন্টোকে নিজের মতো করে লেক অব আমেরিকা নামকরণ করেছেন।
আগামী শুক্রবার নরওয়ের নোবেল কমিটি ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে। এ বিষয়ে বুধবার ট্রাম্প বলেন, তারা আসলে কী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে তা আমার জানা নেই। তাদের সুনাম রয়েছে, হয়তো আমার মতো কাউকে তারা পুরস্কার না-ও দিতে পারে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, কম্বোডিয়া, ইসরাইল ও পাকিস্তানের নেতারা তাকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। তবে এসব মনোনয়নের সত্যতা যাচাইয়ের কোনো উপায় নেই। গ্রিনল্যান্ডকে দখল করে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অধিক থেকে অধিক হারে শুল্ক আরোপ করে যাচ্ছেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এদিকে ট্রাম্প যেসব সংঘাতের সমাধান করেছেন বলে দাবি করেন, সেগুলোর সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলোর অনেকেই তার কূটনৈতিক ভূমিকার সমালোচনা করেছে। এর মধ্যে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের সংঘাতের উদাহরণ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, হোয়াইট হাউসে ফেরার প্রথম দিনে করা সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তিনি সফল হননি। একই সময়ে ইরান এবং ইউক্রেন ইস্যুতেও বড় ধরনের কোনো শান্তির পথ প্রশস্ত হয়নি। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এখন সেই সময় এসেছে।
ট্রাম্পের বিতর্কিত পরিকল্পনার তালিকায় রয়েছে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর ঘোষণা, গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি এবং গাজায় রিভেরা তৈরির পরিকল্পনা। এর বাইরেও কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে রাজধানী থেকে তুলে নেওয়া এবং দেশটির তেল সম্পদ নিজের দখলে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ তিনি নিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের পরও তিনি নিজেকে নোবেলের যোগ্য দাবি করছেন।
উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো তার সেই পদক ট্রাম্পকে উৎসর্গ করেছিলেন। ট্রাম্প সম্ভবত সেই ঘটনাকেই ইঙ্গিত করে জানিয়েছেন যে, ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে বেশি কেউ এই পুরস্কারের যোগ্য নন বলে যিনি পেয়েছিলেন, তিনি দাবি করেছিলেন। এদিকে এবারের সম্ভাব্য তালিকার প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার।
সূত্র: মানবজমিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























