ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়ান গেমসে ভারতের স্বর্ণপদক জয় এশিয়ান গেমস থেকে পদকহীন ফেরা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে সত্য বলার আহ্বান জানালো দূতাবাস মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী ও সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র প্রজন্ম ধরে ভাগ্য নির্ধারণ করছে: প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গোপসাগর প্রজন্মের পর সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে রুচিরা বেকারির মালিকের ছেলের বাংলামোটরে আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাতে ওষুধ ব্যবসায়ী আহত রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামের চালান, জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৬৩ জন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ল ইউরেনিয়ামের প্রথম

জাল সনদে কলেজে চাকরি করার অভিযোগ

নওগাঁ থেকে আবুজার গাফফারী
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫১৩৪ বার পড়া হয়েছে

বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

জাল সনদে কলেজে চাকরি করার অভিযোগ

 

 

জাল সনদে কলেজে চাকরি করার অভিযোগ।
বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজের শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি জালিয়াতি করে নিয়োগ নিয়ে এমপিওভুক্তি করে বছরের পর বছর ধরে চাকরির সুবাদে তুলেছেন সরকারিপ্রাপ্ত বেতন-ভাতাদি।

জানা যায়, নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি এমপিওভুক্ত হয়। কলেজে সব মিলিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী ৬৬ জন। কলেজে নিয়োগপ্রাপ্ত পরিসংখ্যান বিষয়ের সহকারি অধ্যাপক ওয়াজেদ আলী প্রাং ২০০৪ সালে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে তিনি ২০০৬ সালে মাস্টার্স কমপ্লিট করেন।

পড়ুন>>দৌলতপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত-১ আহত-২

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, তিনি কিভাবে ২০০৬ সালে মাস্টার্স পাশ করে ২০০৪ সালে নিয়োগ পেয়েছে। তার চাকরি ও এমপিওভুক্তিতে দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ সঠিক নয়। কিন্তু বিধান অনুযায়ী মাস্টার্স পাশ না করলে চাকরির আবেদন করতে পারবে না। আর সে মাস্টার্সে পর পর ২ বার ফেল করে। এরপরও সে কিভাবে কলেজে চাকরি করে এটাই সবার প্রশ্ন।

কলেজটির ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অভিযুক্তকারী চাতুরতার সঙ্গে প্রায় ২১ বছর চাকরি বাবদ ৮ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বেতন সরকারি তহবিল থেকে তুলেছেন। নৈতিকভাবেই এ অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারি অধ্যাপক ওয়াজেদ আলী প্রমানিককে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, তাদের কোনো তথ্য আমি দিতে পারব না। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জেনে নিন। আগে কলেজের নিয়োগ এ ভাবেই হয়েছে। আমি বর্তমানে অসুস্থ শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন আছি। যদি তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া জাল হয় তবে মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জাল সনদে কলেজে চাকরি করার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

জাল সনদে কলেজে চাকরি করার অভিযোগ

 

 

জাল সনদে কলেজে চাকরি করার অভিযোগ।
বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজের শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি জালিয়াতি করে নিয়োগ নিয়ে এমপিওভুক্তি করে বছরের পর বছর ধরে চাকরির সুবাদে তুলেছেন সরকারিপ্রাপ্ত বেতন-ভাতাদি।

জানা যায়, নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি এমপিওভুক্ত হয়। কলেজে সব মিলিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী ৬৬ জন। কলেজে নিয়োগপ্রাপ্ত পরিসংখ্যান বিষয়ের সহকারি অধ্যাপক ওয়াজেদ আলী প্রাং ২০০৪ সালে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে তিনি ২০০৬ সালে মাস্টার্স কমপ্লিট করেন।

পড়ুন>>দৌলতপুরে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত-১ আহত-২

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, তিনি কিভাবে ২০০৬ সালে মাস্টার্স পাশ করে ২০০৪ সালে নিয়োগ পেয়েছে। তার চাকরি ও এমপিওভুক্তিতে দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ সঠিক নয়। কিন্তু বিধান অনুযায়ী মাস্টার্স পাশ না করলে চাকরির আবেদন করতে পারবে না। আর সে মাস্টার্সে পর পর ২ বার ফেল করে। এরপরও সে কিভাবে কলেজে চাকরি করে এটাই সবার প্রশ্ন।

কলেজটির ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অভিযুক্তকারী চাতুরতার সঙ্গে প্রায় ২১ বছর চাকরি বাবদ ৮ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বেতন সরকারি তহবিল থেকে তুলেছেন। নৈতিকভাবেই এ অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারি অধ্যাপক ওয়াজেদ আলী প্রমানিককে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, তাদের কোনো তথ্য আমি দিতে পারব না। উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জেনে নিন। আগে কলেজের নিয়োগ এ ভাবেই হয়েছে। আমি বর্তমানে অসুস্থ শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন আছি। যদি তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া জাল হয় তবে মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

Facebook Comments Box