ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

চূড়ান্ত পর্যায়ে নবম পে স্কেলের গেজেট: সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জারির সম্ভাবনা

ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

চূড়ান্ত পর্যায়ে নবম পে স্কেলের গেজেট: সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জারির সম্ভাবনা

 

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সব ধরনের জটিলতা দ্রুত নিরসন করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই নতুন এই বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর মাস থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন। তবে নতুন পে স্কেলটি চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হবে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে বকেয়া অর্থ সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

পড়ুন>>নেপাল ও চীনে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৫৮৪, নিখোঁজ আড়াই হাজার

 

প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হতে পারে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে পরবর্তী বৃহস্পতিবারের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট বা প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, প্রজ্ঞাপন জারির কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে চূড়ান্ত খসড়ায় বেতন ও ভাতা ঠিক কত শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

পড়ুন>>জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন জুবাইদা খান

এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছিলেন যে, নতুন পে স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা করা হতে পারে।

 

 

 

এছাড়া গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানিয়েছিলেন, নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের কাজ চলছে এবং তা দ্রুত মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের লক্ষ্যে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি ইতোমধ্যে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।

 

 

জানা গেছে, সচিব কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে—প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকরের পরিকল্পনা রয়েছে।

পড়ুন>>ক্লাব ছাড়ার অপেক্ষায় এনজো ও আলভারেজ: দুই বন্ধুর গন্তব্য এখন অনিশ্চিত

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিনের পুরনো বেতন কাঠামোয় থাকা সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকেও নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এই খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চূড়ান্ত পর্যায়ে নবম পে স্কেলের গেজেট: সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জারির সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ১১:৪৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

 

চূড়ান্ত পর্যায়ে নবম পে স্কেলের গেজেট: সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে জারির সম্ভাবনা

 

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সব ধরনের জটিলতা দ্রুত নিরসন করে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই নতুন এই বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অক্টোবর মাস থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন। তবে নতুন পে স্কেলটি চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হবে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হবে এবং পরবর্তী সময়ে বকেয়া অর্থ সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

পড়ুন>>নেপাল ও চীনে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে ৫৮৪, নিখোঁজ আড়াই হাজার

 

প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হতে পারে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে পরবর্তী বৃহস্পতিবারের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট বা প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, প্রজ্ঞাপন জারির কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে চূড়ান্ত খসড়ায় বেতন ও ভাতা ঠিক কত শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

পড়ুন>>জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন জুবাইদা খান

এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছিলেন যে, নতুন পে স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা করা হতে পারে।

 

 

 

এছাড়া গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও জানিয়েছিলেন, নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের কাজ চলছে এবং তা দ্রুত মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের লক্ষ্যে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি সচিব কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটি ইতোমধ্যে তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে।

 

 

জানা গেছে, সচিব কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে—প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকরের পরিকল্পনা রয়েছে।

পড়ুন>>ক্লাব ছাড়ার অপেক্ষায় এনজো ও আলভারেজ: দুই বন্ধুর গন্তব্য এখন অনিশ্চিত

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিনের পুরনো বেতন কাঠামোয় থাকা সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকেও নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এই খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।

Facebook Comments Box