ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি: ইসি সচিব এক কাপ কফির নেপথ্যে: কৃষকের শ্রম থেকে ভোক্তার টেবিল দিনাজপুরের বিরামপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর প্রাণহানি পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রে ২০০ জনের নিয়োগ কাতারে স্বল্প আয়ের পরিবারের সহায়তায় রফিক ও কাতার চ্যারিটির শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত ভূরুঙ্গামারীতে পিপিআর রোগের বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত প্রবীণদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

আজ সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

সৃষ্টি শিক্ষা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ২৬৯৭২ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ফটো

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

 

আজ সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

 

 

দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

 

 

আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রথম দিনের পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে বাংলা প্রথমপত্র, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিমের কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি (বিএমটি) শাখায় বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

   সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলবে। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এবার পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিচ্ছেন আরও ২ লাখ ৮৬৯ জন শিক্ষার্থী। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।

 

 

লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলো ৩৫ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, কেন্দ্র পরিচালনা, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা, উত্তরপত্র সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল নজরদারিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

 

   নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কোনো পরীক্ষাকক্ষে দুইজনের কম পরিদর্শক রাখা যাবে না। পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাসেও নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।

 

 

প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি ও থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের নিরাপত্তায় প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে অন্য কোনো প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

এবার দেশের ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে ৪০টি কেন্দ্র।

 

 

পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর ক্যামেরা সংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে এবং ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে সিসিটিভি অকার্যকর পাওয়া গেলে কিংবা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

      কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ হাতঘড়ি ব্যবহারের অনুমতি থাকবে।

 

 

এছাড়া পরীক্ষা চলাকালে অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তির উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শৌচাগার তল্লাশি, প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশের সম্পৃক্ততা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পৃথকভাবে সংরক্ষণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

 

 

পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। পাশাপাশি সার্বিক সমন্বয় ও জরুরি যোগাযোগের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কন্ট্রোল রুম চালু রেখেছে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আজ সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

আপডেট সময় : ০৮:১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

 

 

 

 

আজ সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

 

 

দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

 

 

আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সারাদেশে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রথম দিনের পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে বাংলা প্রথমপত্র, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিমের কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি (বিএমটি) শাখায় বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

   সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলবে। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

 

এবার পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিচ্ছেন আরও ২ লাখ ৮৬৯ জন শিক্ষার্থী। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।

 

 

লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

 

পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলো ৩৫ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, কেন্দ্র পরিচালনা, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা, উত্তরপত্র সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল নজরদারিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

 

   নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কোনো পরীক্ষাকক্ষে দুইজনের কম পরিদর্শক রাখা যাবে না। পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাসেও নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হবে।

 

 

প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি ও থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের নিরাপত্তায় প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে অন্য কোনো প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

এবার দেশের ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে ৪০টি কেন্দ্র।

 

 

পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোর ক্যামেরা সংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে এবং ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে সিসিটিভি অকার্যকর পাওয়া গেলে কিংবা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় দুর্বলতা ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

      কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র সাধারণ হাতঘড়ি ব্যবহারের অনুমতি থাকবে।

 

 

এছাড়া পরীক্ষা চলাকালে অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তির উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শৌচাগার তল্লাশি, প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশের সম্পৃক্ততা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পৃথকভাবে সংরক্ষণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

 

 

পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। পাশাপাশি সার্বিক সমন্বয় ও জরুরি যোগাযোগের জন্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কন্ট্রোল রুম চালু রেখেছে।

 

 

 

Facebook Comments Box