রাজু মৃত্যুর ঘটনা মামলা: সাবেক এমপি মোশতাকসহ দুইজনের রিমান্ড
- আপডেট সময় : ০৫:১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
জুলাই মাসে সংঘটিত গণ–অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জননী কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মী রাজু আহমেদ নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত। আজ মঙ্গলবার মামলার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহী এবং মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কবির হোসেনকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম কবির আদালতে হাজির করে আসামিদের প্রত্যেকের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার সাথে জড়িত মূল রহস্য উদ্ঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং পলাতক ও অজ্ঞাতনামা অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার দিপুসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে মোশতাক আহমেদকে আটক করা হয়। একই দিন মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকা থেকে কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে মোহাম্মদপুর বাঁশবাড়ির ওরিয়েন্টাল কোভান অ্যাপার্টমেন্টের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলের সময় গুলির ঘটনা ঘটে। ওই সময় কর্মস্থল থেকে বের হয়ে মিছিল দেখার সময় কুরিয়ার সার্ভিস কর্মী ২৪ বছর বয়সী রাজু আহমেদ গুলিবিদ্ধ হন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ম্যানেজার শাহাদাত জানতে পারেন, রাজু আহমেদ (২৪) গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছেন।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন রাজুকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২৭ আগস্ট রাজুর বাবা বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার নথিতে ঘটনার সময় ও পরিস্থিতি বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে, যার তদন্ত এখন রিমান্ডের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























