ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা জাদুঘরে ঠাঁই পাচ্ছে লিওনেল মেসির ঐতিহাসিক আর্মব্যান্ড শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোগান্তি ও অপপ্রচারের পাল্টাপাল্টি পরিস্থিতি রাবিতে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: হল প্রভোস্ট প্রত্যাহার বিশ্ব শিক্ষক দিবসের র‍্যালিতে ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ লেখা ব্যানার প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার কক্সবাজার বিমানবন্দর: রানওয়ে ও টার্মিনাল প্রস্তুত শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় ১০ দফা দাবি আদর্শ বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় ১৪২ পদে নিয়োগ, আবেদনের নিয়ম মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি পরিদর্শনে মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি হাকিমপুরে ২২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই

জ্বালানি সংকট কাটাতে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

জ্বালানি সংকট কাটাতে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) মেরামতের কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া আপাতত কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার এবং টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

পড়ুন>>গুম ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় মামলার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা অসিত কুমার ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে

মন্ত্রী জানান, এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণেই বর্তমান সংকটের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৌশলীরা যতক্ষণ পর্যন্ত এফএসআরইউ মেরামত সম্পন্ন না করছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া সরকারের হাতে আর কোনো গতি নেই। বর্তমানে লোডশেডিং কমিয়ে শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থাপনা কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।

টার্মিনাল মেরামতের কারিগরি দিক তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুরের প্রকৌশলীরা বর্তমানে কাজ করছেন। মেরামত শেষে নতুন দুটি বয়লার একসঙ্গে চালু করার সময় পুরো সিস্টেমটি টানা ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন বন্ধ রাখতে হবে, যার ফলে সাময়িকভাবে গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে। তবে সরকার ইতোমধ্যে এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করে রেখেছে, যা এফএসআরইউ সচল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই খালাস করা হবে।

 

পড়ুন>>মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, সংকটে আব্রাহাম লিংকনের নাবিকেরা

বিদ্যুতের চাহিদার ধরনে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মধ্যরাতের পরও ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা থাকছে। এর পেছনে ব্যাটারিচালিত রিকশার চার্জিং কেন্দ্রগুলো বড় ভূমিকা রাখছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব কেন্দ্র অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করছে এবং সরকার তা বিচ্ছিন্ন করতে গেলে জনরোষ বা প্রতিরোধের মুখে পড়ছে।

জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৯ সালের মধ্যে পায়রা, মোংলা ও হিরণ পয়েন্টে তিনটি নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা খুলনা অঞ্চলের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে বাখরাবাদ পর্যন্ত সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে নতুন গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে বাপেক্সকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে দুটি নতুন ড্রিলিং রিগ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিল্প খাতে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে ভোলা থেকে সরাসরি গ্যাস পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া কনটেইনারভিত্তিক গ্যাস পরিবহন ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান মন্ত্রী।

আরও পড়ুন>>জ্বালানি সংকট কাটাতে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

জ্বালানি খাতের সংস্কারের বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার বিদ্যমান ‘সিঙ্গেল বায়ার সিস্টেম’ থেকে সরে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তেল আমদানি ও বিতরণে বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সরকার কর অবকাশ সুবিধা দিচ্ছে এবং ব্যাটারি ও ইনভার্টারের ওপর শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সংকট উত্তরণে তিনি বিনিয়োগকারী ও গণমাধ্যমের নৈতিক সমর্থন কামনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘‘এখন শুধু আমাকে দিন গোনা ছাড়া আর ওই যে ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করছে এফএসআরইউতে, এটা করা ছাড়া আমার কিছু নাই।

এ ছাড়া আপনিই বলেন আমার হাতে আর কী থাকতে পারে।’’ কারিগরি সমন্বয়ের জন্য তখন পুরো সিস্টেমটি টানা ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন বন্ধ রাখা লাগবে বলেও সতর্ক করেন মন্ত্রী। যদিও বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে সরাসরি কিছু করার সুযোগ সীমাবদ্ধ।

কারণ, নতুন করে হঠাৎ গ্যাস উত্তোলন করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি এফএসআরইউ সচল না থাকা পর্যন্ত বিদ্যমান গ্যাস খালাস করে জাতীয় গ্রিডে দেওয়াও সম্ভব নয়। আর কিছু ম্যানেজমেন্ট করা, যাতে কম লোডশেডিং হয়।

যাতে আমি ইন্ডাস্ট্রিকে গ্যাসটা দিতে পারি, এই ম্যানেজমেন্টটা করা। সম্প্রতি এই চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জ দেওয়ার কারণে রাতের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জ্বালানি সংকট কাটাতে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

 

জ্বালানি সংকট কাটাতে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) মেরামতের কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া আপাতত কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার এবং টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

 

পড়ুন>>গুম ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঘটনায় মামলার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা অসিত কুমার ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে

মন্ত্রী জানান, এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কারণেই বর্তমান সংকটের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৌশলীরা যতক্ষণ পর্যন্ত এফএসআরইউ মেরামত সম্পন্ন না করছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া সরকারের হাতে আর কোনো গতি নেই। বর্তমানে লোডশেডিং কমিয়ে শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থাপনা কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।

টার্মিনাল মেরামতের কারিগরি দিক তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুরের প্রকৌশলীরা বর্তমানে কাজ করছেন। মেরামত শেষে নতুন দুটি বয়লার একসঙ্গে চালু করার সময় পুরো সিস্টেমটি টানা ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন বন্ধ রাখতে হবে, যার ফলে সাময়িকভাবে গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে। তবে সরকার ইতোমধ্যে এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করে রেখেছে, যা এফএসআরইউ সচল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই খালাস করা হবে।

 

পড়ুন>>মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, সংকটে আব্রাহাম লিংকনের নাবিকেরা

বিদ্যুতের চাহিদার ধরনে পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মধ্যরাতের পরও ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা থাকছে। এর পেছনে ব্যাটারিচালিত রিকশার চার্জিং কেন্দ্রগুলো বড় ভূমিকা রাখছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব কেন্দ্র অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করছে এবং সরকার তা বিচ্ছিন্ন করতে গেলে জনরোষ বা প্রতিরোধের মুখে পড়ছে।

জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২৯ সালের মধ্যে পায়রা, মোংলা ও হিরণ পয়েন্টে তিনটি নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা খুলনা অঞ্চলের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়ক হবে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে বাখরাবাদ পর্যন্ত সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে নতুন গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে বাপেক্সকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে দুটি নতুন ড্রিলিং রিগ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিল্প খাতে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে ভোলা থেকে সরাসরি গ্যাস পরিবহনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া কনটেইনারভিত্তিক গ্যাস পরিবহন ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানান মন্ত্রী।

আরও পড়ুন>>জ্বালানি সংকট কাটাতে এফএসআরইউ মেরামতের অপেক্ষায় সরকার: বিদ্যুৎমন্ত্রী

জ্বালানি খাতের সংস্কারের বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার বিদ্যমান ‘সিঙ্গেল বায়ার সিস্টেম’ থেকে সরে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তেল আমদানি ও বিতরণে বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সরকার কর অবকাশ সুবিধা দিচ্ছে এবং ব্যাটারি ও ইনভার্টারের ওপর শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সংকট উত্তরণে তিনি বিনিয়োগকারী ও গণমাধ্যমের নৈতিক সমর্থন কামনা করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘‘এখন শুধু আমাকে দিন গোনা ছাড়া আর ওই যে ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করছে এফএসআরইউতে, এটা করা ছাড়া আমার কিছু নাই।

এ ছাড়া আপনিই বলেন আমার হাতে আর কী থাকতে পারে।’’ কারিগরি সমন্বয়ের জন্য তখন পুরো সিস্টেমটি টানা ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন বন্ধ রাখা লাগবে বলেও সতর্ক করেন মন্ত্রী। যদিও বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে সরাসরি কিছু করার সুযোগ সীমাবদ্ধ।

কারণ, নতুন করে হঠাৎ গ্যাস উত্তোলন করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি এফএসআরইউ সচল না থাকা পর্যন্ত বিদ্যমান গ্যাস খালাস করে জাতীয় গ্রিডে দেওয়াও সম্ভব নয়। আর কিছু ম্যানেজমেন্ট করা, যাতে কম লোডশেডিং হয়।

যাতে আমি ইন্ডাস্ট্রিকে গ্যাসটা দিতে পারি, এই ম্যানেজমেন্টটা করা। সম্প্রতি এই চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জ দেওয়ার কারণে রাতের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

 

 

Facebook Comments Box