ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরকুমার বিসর্জন দিয়ে সত্তর বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে 

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩ ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

চিরকুমার বিসর্জন দিয়ে সত্তর বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চিরকুমার বিসর্জন দিয়ে সত্তর বছর বয়সে বসলেন বিয়ের পিঁড়িতে। রামপাল সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক চেয়ে ছিলেন চিরকুমার থাকতে। অবশেষে সত্তর বছর বয়সে বসলেন বিয়ের পিঁড়িতে।

পড়ুন>>মোটরসাইকেলে চলন্ত অবস্থায় বিষাক্ত সাপের কবলে চালক

সত্তর বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসে এখন আলোচনায় রামপাল উপজেলার জিগির মোল্লা গ্রামের শওকত আলী হাওলাদার । রামপাল সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত এ শিক্ষকের সাথে জুটি বেধেছেন মোংলা উপজেলার মিঠাখালি ইউনিয়নের শাহিদা আক্তার নাজুচির কু (৩৫)।

গত শনিবার (১৮ মার্চ) ১০ লাখ টাকা দেনমোহরানা নির্ধারণ করে নগদ পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধে বিয়ে সম্পন্ন হয় তার।

শওকতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শওকত আলী রামপাল সরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। অবসরে যাওয়ার পর থেকেই একাকিত্বে ভুগছিলেন তিনি।

পড়ুন>>জলঢাকায় নবজাতক শিশুকে টয়লেটে রেখে পালিয়ে গেলেন মা

যৌবনে পরিবারে হাল ধরা ও ভাই-বোনদের বড় করতে গিয়ে সংসার করা আর হয়ে ওঠেনি তার। জীবনের মূল্যবান সময় তিনি ব্যয় করেছেন শিক্ষকতা, ভাই-বোন ও সমাজ সেবায়।

বিয়ের কথা বলা হলেও নানা অজুহাতে এড়িয়ে গিয়ে সারাজীবন চিরকুমার থাকবেন বলে জানাতেন শওকত।

শওকতের ছোট ভাই আ. হালিম খোকন জানান, আমরা তার কাছে মানুষ হয়েছি। সারাটা জীবন তিনি আমাদের সুখে-দুঃখে বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখেছেন। বর্তমানে আমরা আমাদের নিজেদের পরিবার ও ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকি আর সম্প্রতি আমাদের বড় ভাইও অবসরে গেছেন।

একাকিত্ব বোধ করছিলেন তিনি। তার এ একাকিত্ব দূর করতে ও তার দেখাশোনা করতে এ সময় তার একজন সঙ্গিনী খুবই দরকার। এ পরিস্থিতে আমরা তাকে বিয়ের জন্য জোরাজুরি করলে এক পর্যায়ে তিনি রাজি হন।

পরে মোংলা উপজেলার মিঠাখালি ইউনিয়নের শাহিদা আক্তার নাজু (৩৫) এর সাথে তার বিবাহ সম্পন্ন করি।

তিনি আরও জানান, কনের আগের সংসারের মেয়েটার দায়িত্ব আমার বড় ভাই আলহাজ শওকত আলী নিয়েছেন। তারা বর্তমানে সুখে-শান্তিতে সংসার করছেন।

পরিবারসহ নব দম্পতি আগামীতে হজে যাবেন। দেশবাসীর কাছে নতুন এ দম্পতির জন্য দোয়া কামনা করছি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “চিরকুমার বিসর্জন দিয়ে সত্তর বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে ”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চিরকুমার বিসর্জন দিয়ে সত্তর বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে 

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

চিরকুমার বিসর্জন দিয়ে সত্তর বছর বয়সে বসলেন বিয়ের পিঁড়িতে। রামপাল সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক চেয়ে ছিলেন চিরকুমার থাকতে। অবশেষে সত্তর বছর বয়সে বসলেন বিয়ের পিঁড়িতে।

পড়ুন>>মোটরসাইকেলে চলন্ত অবস্থায় বিষাক্ত সাপের কবলে চালক

সত্তর বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসে এখন আলোচনায় রামপাল উপজেলার জিগির মোল্লা গ্রামের শওকত আলী হাওলাদার । রামপাল সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত এ শিক্ষকের সাথে জুটি বেধেছেন মোংলা উপজেলার মিঠাখালি ইউনিয়নের শাহিদা আক্তার নাজুচির কু (৩৫)।

গত শনিবার (১৮ মার্চ) ১০ লাখ টাকা দেনমোহরানা নির্ধারণ করে নগদ পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধে বিয়ে সম্পন্ন হয় তার।

শওকতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শওকত আলী রামপাল সরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। অবসরে যাওয়ার পর থেকেই একাকিত্বে ভুগছিলেন তিনি।

পড়ুন>>জলঢাকায় নবজাতক শিশুকে টয়লেটে রেখে পালিয়ে গেলেন মা

যৌবনে পরিবারে হাল ধরা ও ভাই-বোনদের বড় করতে গিয়ে সংসার করা আর হয়ে ওঠেনি তার। জীবনের মূল্যবান সময় তিনি ব্যয় করেছেন শিক্ষকতা, ভাই-বোন ও সমাজ সেবায়।

বিয়ের কথা বলা হলেও নানা অজুহাতে এড়িয়ে গিয়ে সারাজীবন চিরকুমার থাকবেন বলে জানাতেন শওকত।

শওকতের ছোট ভাই আ. হালিম খোকন জানান, আমরা তার কাছে মানুষ হয়েছি। সারাটা জীবন তিনি আমাদের সুখে-দুঃখে বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখেছেন। বর্তমানে আমরা আমাদের নিজেদের পরিবার ও ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকি আর সম্প্রতি আমাদের বড় ভাইও অবসরে গেছেন।

একাকিত্ব বোধ করছিলেন তিনি। তার এ একাকিত্ব দূর করতে ও তার দেখাশোনা করতে এ সময় তার একজন সঙ্গিনী খুবই দরকার। এ পরিস্থিতে আমরা তাকে বিয়ের জন্য জোরাজুরি করলে এক পর্যায়ে তিনি রাজি হন।

পরে মোংলা উপজেলার মিঠাখালি ইউনিয়নের শাহিদা আক্তার নাজু (৩৫) এর সাথে তার বিবাহ সম্পন্ন করি।

তিনি আরও জানান, কনের আগের সংসারের মেয়েটার দায়িত্ব আমার বড় ভাই আলহাজ শওকত আলী নিয়েছেন। তারা বর্তমানে সুখে-শান্তিতে সংসার করছেন।

পরিবারসহ নব দম্পতি আগামীতে হজে যাবেন। দেশবাসীর কাছে নতুন এ দম্পতির জন্য দোয়া কামনা করছি।

Facebook Comments Box