ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৯৬ রাজু মৃত্যুর ঘটনা মামলা: সাবেক এমপি মোশতাকসহ দুইজনের রিমান্ড বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে নাবিক ও এমওডিসি পদে বিশাল নিয়োগ জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদা পেলেন পাবনার ইমরান হুসাইন নাটোরের নলডাঙ্গায় নারী উদ্যোক্তাকে হয়রানির অভিযোগে আটক ১ শিশুদের সঠিক বিকাশেই দেশের ভবিষ্যৎ মজবুত: প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দীর্ঘ আট মাস পর উৎপাদনে ফিরল যমুনা সার কারখানা অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব ফেরাতে জরুরি সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের দুবাইয়ের তীব্র গরমে টিকে থাকার উপায় জানালেন ইবাদত

মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশু মুসার নতুন লড়াই, ফুরিয়ে আসছে ওষুধ-পথ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাঁ হাত দিয়ে লেগোর টুকরো জোড়া লাগিয়ে কয়েক মিনিটেই একটি খেলনা রোবট বানিয়ে ফেলল সাড়ে আট বছরের বাসিত খান মুসা। ফুফাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে তার এই খেলা আর মুখের মৃদু হাসি দেখে বোঝার উপায় নেই, মাত্র দুই বছর আগেও এই শিশুটি ছিল প্রায় নিশ্চল। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিল সে। চিকিৎসকদের নিরলস চেষ্টা আর মানুষের সহমর্মিতায় মুসা প্রাণ ফিরে পেলেও, তার সুস্থ হয়ে ওঠার লড়াই এখনও শেষ হয়নি। প্রতিটি হাসির আড়ালে রয়ে গেছে দীর্ঘ চিকিৎসা ও অনিশ্চয়তার ছায়া।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর রামপুরার মেরাদিয়া হাট এলাকায় মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে বাসার নিচে নেমেছিলেন তার বাবা। বাবার পেছনেই ছিল মুসা এবং তার পেছনে ছিলেন দাদি মায়া ইসলাম (৬০)। বাসার মূল ফটকের ভেতরেই হঠাৎ একটি গুলি মুসার মাথায় লাগে। সেই গুলিটি তার মাথা ভেদ করে দাদি মায়া ইসলামের পেট ফুঁড়ে দেয়ালে গিয়ে লাগে। পরদিন মারা যান মুসার দাদি। গুরুতর আহত মুসাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়।

অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় প্রথম আলোর ধারাবাহিক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ব্যক্তি, সংগঠন ও সরকারের সহযোগিতায় মুসাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই ‘মা একটু পরপর ছেলের বুকের কাছে গিয়ে বোঝার চেষ্টা করছেন নিশ্বাস নিচ্ছে কি না’ শিরোনামে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রথম আলো। সংবাদ প্রকাশের পর ব্যক্তি, সংগঠন ও সরকার—সবাই এগিয়ে আসে। দেশে মুসার চিকিৎসা আর সম্ভব নয় জানার পর গত ৭ অক্টোবর ‘আন্দোলনকালে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসাকে সিঙ্গাপুরে নিতে বলছেন চিকিৎসকেরা, কে দেবে এত টাকা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রথম আলো। এই সংবাদ প্রকাশের পর চ্যানেল আই মুসাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেয়। ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার সময় মুসার মাথা, গলা ও পেটে ২০টির বেশি অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে গত বছরের ৩ এপ্রিল মুসাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আবারও সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।

দীর্ঘ চিকিৎসার পর মুসা এখন মালিবাগের একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে রয়েছে। গত ১৬ জুলাই রাজধানীর মালিবাগে নতুন ভাড়া নেওয়া ওই বাড়িতে দেখা হয় মুসার সঙ্গে। তবে গুলির আঘাতে তার শরীরের ডান পাশ এখনও পক্ষাঘাতগ্রস্ত। ঘরের বাইরে যেতে হলে তার একমাত্র ভরসা হুইলচেয়ার। সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হামিদ জানান, মুসার সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি ও স্পিচ থেরাপি প্রয়োজন। কিন্তু সংক্রমণের ঝুঁকির কারণে মুসাকে নিয়মিত হাসপাতালে নিয়ে থেরাপি দেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে, বাসায় থেরাপিস্ট আনার মতো আর্থিক সামর্থ্যও মুসার বাবার নেই।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ৯ মাস কোনো কথা বলতে পারেনি মুসা। অবশেষে ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল সিএমএইচে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার সময় সে প্রথম কেঁদে ওঠে এবং কথা বলতে শুরু করে। এখন সে অল্প অল্প কথা বলতে পারে, সংখ্যা গুনতে পারে এবং ছড়াও বলতে পারে। তবে জিবে এখনও আড়ষ্টতা রয়ে গেছে। স্পাইডারম্যান এখনও তার প্রিয় চরিত্র।

মুসার বাবা মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সিঙ্গাপুর থেকে আনা বিশেষ টিনজাত পুষ্টিকর খাবার গত জানুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধও প্রায় শেষের পথে। গত বছরের ১৪ জুন সিএমএইচ নিউরোসার্জারি বোর্ড থেকে মুসার চিকিৎসাসংক্রান্ত সারসংক্ষেপে মুসার শারীরিক অবস্থা ও সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকের ফলোআপ করার পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। পরে চলতি বছরের ১৫ মে আরেকটি ফলোআপ তারিখ নেন। এছাড়া সিঙ্গাপুরে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য সিএমএইচ মেডিকেল বোর্ড সুপারিশ করলেও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুমোদন না পাওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের মে মাসের নির্ধারিত তারিখগুলো পেরিয়ে গেছে। গত ১১ মে সিএমএইচের জ্যেষ্ঠ নিউরোসার্জন অধ্যাপক কর্নেল মো. আল আমিন সালেকের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ড আবারও সিঙ্গাপুরে ফলোআপের সুপারিশ করে, যা গত ২৫ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, মুসার ফলোআপ চিকিৎসার বিষয়টি জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসার জন্য গঠিত কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে। একই সঙ্গে তার ফিজিওথেরাপির বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মুসার বাবা আকুতি জানিয়ে বলেন, সবাই মিলে এত কষ্ট করার পর যেন অর্থাভাবে মুসার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে না যায়।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশু মুসার নতুন লড়াই, ফুরিয়ে আসছে ওষুধ-পথ্য

আপডেট সময় : ০১:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বাঁ হাত দিয়ে লেগোর টুকরো জোড়া লাগিয়ে কয়েক মিনিটেই একটি খেলনা রোবট বানিয়ে ফেলল সাড়ে আট বছরের বাসিত খান মুসা। ফুফাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে তার এই খেলা আর মুখের মৃদু হাসি দেখে বোঝার উপায় নেই, মাত্র দুই বছর আগেও এই শিশুটি ছিল প্রায় নিশ্চল। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিল সে। চিকিৎসকদের নিরলস চেষ্টা আর মানুষের সহমর্মিতায় মুসা প্রাণ ফিরে পেলেও, তার সুস্থ হয়ে ওঠার লড়াই এখনও শেষ হয়নি। প্রতিটি হাসির আড়ালে রয়ে গেছে দীর্ঘ চিকিৎসা ও অনিশ্চয়তার ছায়া।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর রামপুরার মেরাদিয়া হাট এলাকায় মুস্তাফিজুর রহমান ও নিশামনি দম্পতির একমাত্র সন্তান মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে বাসার নিচে নেমেছিলেন তার বাবা। বাবার পেছনেই ছিল মুসা এবং তার পেছনে ছিলেন দাদি মায়া ইসলাম (৬০)। বাসার মূল ফটকের ভেতরেই হঠাৎ একটি গুলি মুসার মাথায় লাগে। সেই গুলিটি তার মাথা ভেদ করে দাদি মায়া ইসলামের পেট ফুঁড়ে দেয়ালে গিয়ে লাগে। পরদিন মারা যান মুসার দাদি। গুরুতর আহত মুসাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়।

অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় প্রথম আলোর ধারাবাহিক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ব্যক্তি, সংগঠন ও সরকারের সহযোগিতায় মুসাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই ‘মা একটু পরপর ছেলের বুকের কাছে গিয়ে বোঝার চেষ্টা করছেন নিশ্বাস নিচ্ছে কি না’ শিরোনামে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রথম আলো। সংবাদ প্রকাশের পর ব্যক্তি, সংগঠন ও সরকার—সবাই এগিয়ে আসে। দেশে মুসার চিকিৎসা আর সম্ভব নয় জানার পর গত ৭ অক্টোবর ‘আন্দোলনকালে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসাকে সিঙ্গাপুরে নিতে বলছেন চিকিৎসকেরা, কে দেবে এত টাকা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রথম আলো। এই সংবাদ প্রকাশের পর চ্যানেল আই মুসাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দেয়। ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার সময় মুসার মাথা, গলা ও পেটে ২০টির বেশি অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে গত বছরের ৩ এপ্রিল মুসাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আবারও সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।

দীর্ঘ চিকিৎসার পর মুসা এখন মালিবাগের একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে রয়েছে। গত ১৬ জুলাই রাজধানীর মালিবাগে নতুন ভাড়া নেওয়া ওই বাড়িতে দেখা হয় মুসার সঙ্গে। তবে গুলির আঘাতে তার শরীরের ডান পাশ এখনও পক্ষাঘাতগ্রস্ত। ঘরের বাইরে যেতে হলে তার একমাত্র ভরসা হুইলচেয়ার। সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হামিদ জানান, মুসার সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি ও স্পিচ থেরাপি প্রয়োজন। কিন্তু সংক্রমণের ঝুঁকির কারণে মুসাকে নিয়মিত হাসপাতালে নিয়ে থেরাপি দেওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে, বাসায় থেরাপিস্ট আনার মতো আর্থিক সামর্থ্যও মুসার বাবার নেই।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ৯ মাস কোনো কথা বলতে পারেনি মুসা। অবশেষে ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল সিএমএইচে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার সময় সে প্রথম কেঁদে ওঠে এবং কথা বলতে শুরু করে। এখন সে অল্প অল্প কথা বলতে পারে, সংখ্যা গুনতে পারে এবং ছড়াও বলতে পারে। তবে জিবে এখনও আড়ষ্টতা রয়ে গেছে। স্পাইডারম্যান এখনও তার প্রিয় চরিত্র।

মুসার বাবা মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সিঙ্গাপুর থেকে আনা বিশেষ টিনজাত পুষ্টিকর খাবার গত জানুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধও প্রায় শেষের পথে। গত বছরের ১৪ জুন সিএমএইচ নিউরোসার্জারি বোর্ড থেকে মুসার চিকিৎসাসংক্রান্ত সারসংক্ষেপে মুসার শারীরিক অবস্থা ও সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকের ফলোআপ করার পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। পরে চলতি বছরের ১৫ মে আরেকটি ফলোআপ তারিখ নেন। এছাড়া সিঙ্গাপুরে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য সিএমএইচ মেডিকেল বোর্ড সুপারিশ করলেও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুমোদন না পাওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের মে মাসের নির্ধারিত তারিখগুলো পেরিয়ে গেছে। গত ১১ মে সিএমএইচের জ্যেষ্ঠ নিউরোসার্জন অধ্যাপক কর্নেল মো. আল আমিন সালেকের নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ড আবারও সিঙ্গাপুরে ফলোআপের সুপারিশ করে, যা গত ২৫ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, মুসার ফলোআপ চিকিৎসার বিষয়টি জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসার জন্য গঠিত কমিটির বিবেচনাধীন রয়েছে। একই সঙ্গে তার ফিজিওথেরাপির বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মুসার বাবা আকুতি জানিয়ে বলেন, সবাই মিলে এত কষ্ট করার পর যেন অর্থাভাবে মুসার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে না যায়।

Facebook Comments Box