ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৯৮৩৯ বার পড়া হয়েছে

রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ

 

 

ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ।
‎সুনামগঞ্জের ধোপাজান নদীতে রাতের আঁধারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম এর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

 

 

স্থানীয়দের দাবি, হালুয়াঘাট এলাকা থেকে একাধিক নৌকায় করে নিয়মিত বালু উত্তোলন করা হলেও তা বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি ওসি রতন সেখ ১৩দিন ছুটিতে থাকা কালীন সময়ে । বরং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধায় এসব কর্মকাণ্ডে সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান নাম প্রকাশে কিছু বালু ব্যবসায়ীরা।

‎
‎পড়ুন>> চাঁদা দাবী ও হামলার প্রতিবাদে ডোমারে মানববন্ধন  

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ দিন ছুটি কাটিয়ে থানায়  ফিরে এসেই জোড়ালো অভিযানে নামেন ওসি রতন সেখ। গত শনিবার গভীর রাতে ধোপাজান নদীর হালুয়াঘাট অংশে একাধিক নৌকায় বালু উত্তোলন চলছিল। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট একটি সিন্ডিকেটের নৌকাগুলোকে আটক না করে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
‎
‎

 

পরবর্তীতে ‘অভিযান দেখাতে’ এবং ওসির কাছে ভালো সাজতে  উদ্দেশ্য প্রনোনিত ভাবে ১টি নৌকার সংবাদ পৌছানো হলে,ওসি রতন সেখের নেতৃত্বে ঐ নোকাটি আটক করা হয়। বাকি নৌকাগুলোকে ওসি আসার আগেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন ডিউটিতে থাকা পুলিশ এমনটিই জানান ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী। জানা যায়  সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ বড়পাড়া ঘাট থেকে এক ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ করে এবং বালুসহ মামলায় দেখানো হয়েছে।
‎
‎

 

ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী বলেন, “আমি খাসিয়ামারা নদী থেকে বৈধভাবে বালু কিনে এনে বড়পাড়া ঘাটে রাখি। নৌকার মাঝি (সুকানি) বাসায় যাওয়ার পর পুলিশ এসে আমার নৌকাটি ঘাট থেকে নিয়ে যায়। হালুয়াঘাটের নৌকা ছেড়ে দেওয়ার ভিডিও থাকায় মামলা দেখানোর জন্য আমার নৌকাটি আটক করা হয়েছে। এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে নিরীহ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হলে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না বলে জানান তিনি।
‎

পড়ুন >> ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল সার্টিফিকেট জটিলতায় অবরুদ্ধ হলেন বরখাস্তকৃত সুপার
‎

 

 

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই মিলন বলেন আমরা সাহেব বাড়ির নদীর মোড় থেকে নোকাটি নিয়ে আসছি। আইন অনুযায়ী মামলা হয়েছে। অন্য নৌকাগুলি জব্দ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

‎উল্লেখ্য, ধোপাজান ও আশপাশের নদীগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে, যা স্থানীয় পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা বন্ধে ওসি রতন সেখ পিপিএম দিন রাত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছেন । তবে ১৩দিন ছুটিতে থাকায় এবং ওসি ঘুমিয়ে গেলে গভীর রাতে নৌকা দিয়ে বালি বের হয় এমনটি জানাজায়।

 

 

বিষয়টি গোপনে তদন্ত করে জড়িত ডিউটি অফিসারদের প্রতি নজর রাখার জন্য ওসি রতন সেখ পিপিএম এর প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।

 

 

‎

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৪১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

 

 

রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ

 

 

ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ।
‎সুনামগঞ্জের ধোপাজান নদীতে রাতের আঁধারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম এর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

 

 

স্থানীয়দের দাবি, হালুয়াঘাট এলাকা থেকে একাধিক নৌকায় করে নিয়মিত বালু উত্তোলন করা হলেও তা বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি ওসি রতন সেখ ১৩দিন ছুটিতে থাকা কালীন সময়ে । বরং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধায় এসব কর্মকাণ্ডে সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান নাম প্রকাশে কিছু বালু ব্যবসায়ীরা।

‎
‎পড়ুন>> চাঁদা দাবী ও হামলার প্রতিবাদে ডোমারে মানববন্ধন  

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ দিন ছুটি কাটিয়ে থানায়  ফিরে এসেই জোড়ালো অভিযানে নামেন ওসি রতন সেখ। গত শনিবার গভীর রাতে ধোপাজান নদীর হালুয়াঘাট অংশে একাধিক নৌকায় বালু উত্তোলন চলছিল। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট একটি সিন্ডিকেটের নৌকাগুলোকে আটক না করে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
‎
‎

 

পরবর্তীতে ‘অভিযান দেখাতে’ এবং ওসির কাছে ভালো সাজতে  উদ্দেশ্য প্রনোনিত ভাবে ১টি নৌকার সংবাদ পৌছানো হলে,ওসি রতন সেখের নেতৃত্বে ঐ নোকাটি আটক করা হয়। বাকি নৌকাগুলোকে ওসি আসার আগেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন ডিউটিতে থাকা পুলিশ এমনটিই জানান ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী। জানা যায়  সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশ বড়পাড়া ঘাট থেকে এক ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ করে এবং বালুসহ মামলায় দেখানো হয়েছে।
‎
‎

 

ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী বলেন, “আমি খাসিয়ামারা নদী থেকে বৈধভাবে বালু কিনে এনে বড়পাড়া ঘাটে রাখি। নৌকার মাঝি (সুকানি) বাসায় যাওয়ার পর পুলিশ এসে আমার নৌকাটি ঘাট থেকে নিয়ে যায়। হালুয়াঘাটের নৌকা ছেড়ে দেওয়ার ভিডিও থাকায় মামলা দেখানোর জন্য আমার নৌকাটি আটক করা হয়েছে। এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে নিরীহ ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হলে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে না বলে জানান তিনি।
‎

পড়ুন >> ভূরুঙ্গামারীতে দাখিল সার্টিফিকেট জটিলতায় অবরুদ্ধ হলেন বরখাস্তকৃত সুপার
‎

 

 

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই মিলন বলেন আমরা সাহেব বাড়ির নদীর মোড় থেকে নোকাটি নিয়ে আসছি। আইন অনুযায়ী মামলা হয়েছে। অন্য নৌকাগুলি জব্দ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

‎উল্লেখ্য, ধোপাজান ও আশপাশের নদীগুলোতে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে, যা স্থানীয় পরিবেশ ও কৃষিজমির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা বন্ধে ওসি রতন সেখ পিপিএম দিন রাত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছেন । তবে ১৩দিন ছুটিতে থাকায় এবং ওসি ঘুমিয়ে গেলে গভীর রাতে নৌকা দিয়ে বালি বের হয় এমনটি জানাজায়।

 

 

বিষয়টি গোপনে তদন্ত করে জড়িত ডিউটি অফিসারদের প্রতি নজর রাখার জন্য ওসি রতন সেখ পিপিএম এর প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।

 

 

‎

Facebook Comments Box