সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষিকার অবহেলায় মরে গেলো গাছের চারা- অনিয়ম দুর্নীতি ফাঁস
- আপডেট সময় : ১১:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে
সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষিকার অবহেলায় মরে গেলো গাছের চারা- অনিয়ম দুর্নীতি ফাঁস
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্বহীনতায় বৃক্ষরোপণের জন্য দেওয়া গাছের চারা না লাগিয়ে ফেলে দিয়েছেন এমন অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে উপজেলা ভাটারা ইউনিয়নের ৭০নং বারইপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায় এ ঘটনা।
পরে সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিষয়টি পরির্দশন করে ঘটনার সত্যতা খুঁজেপান।
জানা যায়, উপজেলা ভাটারা ইউনিয়নে বারইপটল গ্রামে স্থাপিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। গত রবিবার (২২ জুন) সারাদেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের কর্মসূচি অংশ হিসেবে উপজেলা বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোপনের জন্য পাচঁটি করে গাছের চারা বিতরণ করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একই দিনে গাছের চারা পান ৭০নং বারইপটল প্রাথমিক বিদ্যালয় কতৃর্পক্ষ।
পড়ুন>> কুড়িগ্রামে হিমাগারে আলু রাখার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় আলু ফেলে অবরোধ
এদিকে দিনের পর দিন অতিবাহিত হয়ে ১৬দিন পর গাছের চারা রোপন না করে অবহেলায় চারা গুলোকে নষ্ট করে টয়লেটের পিছনে ফেলে রাখেন। পরে এবিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও সহকারি শিক্ষিকাদের নজরে পড়ে। এসময় সংবাদ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের টি.ও এবং এ.টি.ও ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকেই বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দুর্নীতিবাজ। তিনি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মকান্ডে প্রশ্নবৃদ্ধ। গাছের চার পেয়েও তিনি রোপন করেনি এটা সত্যিই দুঃখজনক। তার অবহেলায় এমন হয়েছে বলেও স্থানীয়রা জানান।
বিদ্যালয়ের সরকারি শিক্ষক লাবণী আক্তার, মিতু আক্তার, ইয়াসমিন নাহার বলেন, গাছের চারা দিয়েছেন উপজেলা থেকে সেটা রোপন না করেই প্রধান শিক্ষিকা হেলেনা খাতুন ক্লাসরুম ফেলে রেখেছেন। পরে চারা গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা সহকারি শিক্ষকরা চারাগুলো রোপন করা বিষয়ে বলেছি, কিন্তু তিনি গুরুত্ব কোন দেয়নি।
এঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হেলেনা খাতুন বলেন, প্রতিষ্ঠানে জায়গা নিয়ে এই গ্রামের মানুষের সাথে বিরোধ চলছে, তার জন্য গাছের চারা রোপন করা হয়নি। নতুন করে আবার গাছের চারা আনা হয়েছে। সেটা রোপন করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাহিদা ইয়াসমিন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পেয়েছি। কথা ছিলো গাছের চারা লাগিয়ে ছবি তুলে তারা আমাদের ছবি দিবেন। কিন্তু তারা গাছের চারা রোপণ করেনি। আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























