রাজবাড়ীতে বাড়ির আঙিনায় বেরিয়ে এলো ৪৫টি বিষাক্ত সাপের বাচ্চা: আতঙ্কে এলাকাবাসী
- আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ ২৯৫ বার পড়া হয়েছে
রাজবাড়ীতে বাড়ির আঙিনায় বেরিয়ে এলো ৪৫টি বিষাক্ত সাপের বাচ্চা: আতঙ্কে এলাকাবাসী
বাড়ির আঙিনায় বেরিয়ে এলো ৪৫ সাপের বাচ্চা, আতঙ্কে এলাকাবাসী বাড়ির আঙিনায় বেরিয়ে এলো ৪৫ সাপের বাচ্চা, আতঙ্কে এলাকাবাসী রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের উজানচর ইউনিয়নের চর মজলিশপুরে এক কৃষকের বাড়িতে ৪৫টি গোখরা সাপের বাচ্চা পাওয়া গেছে।তারা সাপগুলো মেরে ফেলেছেন। সোমবার দুপুরে চর মজলিশপুরের কৃষক আইজল দোকানদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে সাপ আতঙ্কে রয়েছেন ওই পরিবারসহ এলাকাবাসী।
কৃষক আইজল জানান, রোববার তার ছেলে মাঠ থেকে ভুট্টাগাছ তুলে বাড়ির আঙিনায় এনে স্তূপ করে রাখেন। সোমবার দুপুরে সেই ভুট্টা ছাড়াতে একটি গাছ টান দেন তার স্ত্রী। সেসময় একটি সাপের বাচ্চা বেরিয়ে এলে লাঠি দিয়ে সেটি মেরে ফেলেন। পরে একসঙ্গে অনেকগুলো সাপের বাচ্চা বেরিয়ে এলে তারা চিৎকার করেন।
সে সময় বাড়ির অন্যান্যরা এসে সবগুলো সাপ মেরে ফেলেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি গোখরা সাপের বাচ্চা ছিল। কিন্তু ওই সময় বড় কোনো সাপ তারা দেখতে পাননি। মেরে ফেলা সাপগুলো মাটিচাপা দিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, গত কয়েকদিন ধরে তাদের এলাকার মাঠে সাপের দেখা মিলছে এবং কয়েকটা সাপ মারাও হয়েছে। এই ঘটনার পর তার পরিবারসহ স্থানীয়রা সাপের ভয়ে আছেন।
ওই এলাকার কৃষি শ্রমিক আতাহার, নান্দু, ফজলার জানান, মাঠে প্রায় প্রতিদিন সাপের দেখা মিলছে। মাঠে কাজ করার সময় আমরা দুইটি সাপ মেরে ফেলেছি।
উজানচর ইউপি চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধা জানান, কয়েকদিন ধরে শুনছেন মজলিশপুর এলাকায় সাপ দেখা যাচ্ছে। সোমবার দুপুরে আইজল দোকানদারের বাড়ি থেকে অনেকগুলো সাপের বাচ্চা মারা হয়েছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফারসিম তারান্নুম হক জানান, বর্তমানে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিভিন্ন স্থান বিশেষ করে চরাঞ্চলে সাপের উপদ্রব বেড়েছে। সবাইকে সাবধান থাকতে হবে এবং সাপের কামড়ে কেউ আক্রান্ত হলে দ্রুত তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে আনতে হবে। হাসপাতালে এন্টিভেনম মজুত রয়েছে বলে জানান তিনি।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























