ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মৌলভীবাজার: পর্যটন জেলা ঘোষণার ১৮ বছরেও অধরা উন্নয়ন আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস: নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে কর্মসূচি জাতিসংঘে ৮১তম অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামুদ্রিক নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের গুরুত্বারোপ: প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জোরদার পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা: ৩০ সেকেন্ডের গেরিলা কৌশলে আতঙ্ক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় সারির দল পাঠাবে ভারত পরিচালনায় নতুন গল্প নিয়ে ফিরছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাণ্ডব: দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি নাহিদের পাইকগাছা উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম গঠন

বঙ্গমাতা চিরকাল বাঙালি নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন: রাষ্ট্রদূত ইমরান

যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাকিকুল ইসলাম খোকন
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গমাতা চিরকাল বাঙালি নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন: রাষ্ট্রদূত ইমরান

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“বঙ্গমাতা চিরকাল বাঙালি নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন “, ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গমাতার ৯৩তম জন্মবার্ষিকী পালন কালে বললেন রাষ্ট্রদূত ইমরান।

স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রাম এবং দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গমাতার অসামান্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মঙ্গলবার যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে দূতাবাস বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে পরিবার, সমাজ ও জাতির প্রতি বঙ্গমাতার মহান আত্মত্যাগকে স্মরণ করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক বিকেলে জাতির পিতা এবং বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।

এসময় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শাহেদুল ইসলাম এবং ফার্স্ট সেক্রেটারী (পাসপোর্ট ও ভিসা) মুহাম্মদ আবদুল হাই মিল্টন।

পরে বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মের উপর দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত এবং এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গমাতার অনন্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

 

রাষ্ট্রদূত জাতির পিতার বিশ্বস্ত জীবনসঙ্গী হিসেবে ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অসামান্য ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে তার জীবনে লালন ও ধারণ করেছেন এবং তার সন্তানদেরও একই আদর্শে গড়ে তুলেছেন।

 

রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একই শিক্ষা, আদর্শ ও চেতনা অনুসরণ করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

রাষ্ট্রদূত বলেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা বাঙালি নারীদের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি একই সঙ্গে বঙ্গমাতার জীবন চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম আলোকিত ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

পড়ুন>>রাতের ভোট ঠেকাতে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠাবে সকালে

মিনিস্টার (প্রেস) এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন আলোচনায় অংশ নেন এবং বঙ্গমাতার বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিকের ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু এবং তার দলের নেতা-কর্মীদেরকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়ে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামকে সঠিক লক্ষ্যে নিয়ে যেতে বঙ্গমাতা সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।

 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে শহিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ও তাদের পরিবারের সদস্যদের এবং অন্যান্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারী আতাউর রহমান।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বঙ্গমাতা চিরকাল বাঙালি নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন: রাষ্ট্রদূত ইমরান

আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩

“বঙ্গমাতা চিরকাল বাঙালি নারীদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন “, ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গমাতার ৯৩তম জন্মবার্ষিকী পালন কালে বললেন রাষ্ট্রদূত ইমরান।

স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রাম এবং দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গমাতার অসামান্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে মঙ্গলবার যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে দূতাবাস বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে পরিবার, সমাজ ও জাতির প্রতি বঙ্গমাতার মহান আত্মত্যাগকে স্মরণ করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক বিকেলে জাতির পিতা এবং বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।

এসময় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শাহেদুল ইসলাম এবং ফার্স্ট সেক্রেটারী (পাসপোর্ট ও ভিসা) মুহাম্মদ আবদুল হাই মিল্টন।

পরে বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মের উপর দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত এবং এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গমাতার অনন্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

 

রাষ্ট্রদূত জাতির পিতার বিশ্বস্ত জীবনসঙ্গী হিসেবে ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অসামান্য ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে তার জীবনে লালন ও ধারণ করেছেন এবং তার সন্তানদেরও একই আদর্শে গড়ে তুলেছেন।

 

রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একই শিক্ষা, আদর্শ ও চেতনা অনুসরণ করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

রাষ্ট্রদূত বলেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা বাঙালি নারীদের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি একই সঙ্গে বঙ্গমাতার জীবন চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম আলোকিত ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

পড়ুন>>রাতের ভোট ঠেকাতে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠাবে সকালে

মিনিস্টার (প্রেস) এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন আলোচনায় অংশ নেন এবং বঙ্গমাতার বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিকের ওপর আলোকপাত করেন।

তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু এবং তার দলের নেতা-কর্মীদেরকে প্রেরণা, শক্তি ও সাহস যুগিয়ে স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামকে সঠিক লক্ষ্যে নিয়ে যেতে বঙ্গমাতা সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।

 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে শহিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ও তাদের পরিবারের সদস্যদের এবং অন্যান্যদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারী আতাউর রহমান।

 

Facebook Comments Box