ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, সীমান্তে ফের উত্তাপ নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১২ পদে নিয়োগ ভূরুঙ্গামারীতে গ্রাহকদের অধিকার আদায়ের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল মধ্যপ্রাচ্য ইতিহাসের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে: কাতারের আমির দারুল আদালত: চট্টগ্রামের চারশ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী পানছড়িতে স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ শেষে ৩৮ জনকে সনদ প্রদান বোয়িংয়ের সাথে ১১ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির ব্যয় ২৮৬ কোটি রুপি কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ৬২৪ জন আটক

ইউকেবিডি টিভির সভায় জেল হত্যার রহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাকিকুল ইসলাম খোকন
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২ ১৯৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইউকেবিডি টিভির সভায় জেল হত্যার রহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিশন গঠন ও জেলহত্যা দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি।

জেলের অভ্যস্তরে মর্মান্তিক, করুণ, মর্মস্পর্শী শোকাবহ জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে জাতীয় চার নক্ষত্রের স্মরণে শোকার্ত হৃদয়ের শ্রদ্ধা.শীরনামে ইউকে বিডি টিভির উদ্দ্যোগে গত বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর)বিকেলে এক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ হত‍্যার মূল রহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিশন গঠন ও জেলহত্যা দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনীসহ পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তক ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানান। এ সময় বলেন ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর তার ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে কারাগারে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে ৩ নভেম্বর কলঙ্কময় ও বেদনাবিধুর একটি দিন।

জাতীয় চার নেতা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, যারা লোভ লালসা এবং ক্ষমতার আহবানকে উপেক্ষা করে ন্যায় ও সত্যের পতাকাকে সমুন্নত রেখেছিলেন। লোভ ও চাপের কাছে আত্মসমর্পণ না করে তারা জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে নেই এবং দেশ ও জাতির বিশ্বাসঘাতকদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে নেই।

বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নক্ষত্রের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে , উনাদের আত্মত্যাগের মত আসুন কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রকারীদের সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ হিসাবে গড়ে তুলি। ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলার আলোর মিছিলকে এগিয়ে নেই। ম্যাদার অব হিউম্যানিটি মানণীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার জন্য দেশে বিদেশে বসবাসকারী সবার প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এখানে উল্লেখ্য যে, বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কিত অধ্যায় জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতা বিরোধীরা নির্মমভাবে হত্যা করে জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

চরম নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতার সাক্ষী হচ্ছে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। দেশের আপামর জনতা যাদের নেতৃত্বে ও নির্দেশে এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে মাত্র নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এ দেশেকে স্বাধীন করেছিল।

যুদ্ধকালীন সময় সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের সমধিক পরিচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামান পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর বিশ্বাসঘাতক খোন্দকার মোশতাকের আশীর্বাদপুষ্ট খুনি ফারুক-রশিদ চক্র জেল কোড ভঙ্গ করে চরম নির্মম ভাবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করে জাতীয় চার নেতাকে!! জেল হত্যা ছিল স্বাধীনতা বিরোধীদের একটি ষড়যন্ত্রমূলক নীলনকশার সুদূর প্রসারী বাস্তবায়ন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইউকেবিডি টিভির সভায় জেল হত্যার রহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ নভেম্বর ২০২২

ইউকেবিডি টিভির সভায় জেল হত্যার রহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিশন গঠন ও জেলহত্যা দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি।

জেলের অভ্যস্তরে মর্মান্তিক, করুণ, মর্মস্পর্শী শোকাবহ জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে জাতীয় চার নক্ষত্রের স্মরণে শোকার্ত হৃদয়ের শ্রদ্ধা.শীরনামে ইউকে বিডি টিভির উদ্দ্যোগে গত বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর)বিকেলে এক আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ হত‍্যার মূল রহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিশন গঠন ও জেলহত্যা দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন এবং জাতীয় চার নেতাসহ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনীসহ পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তক ও সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানান। এ সময় বলেন ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর তার ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে কারাগারে হত্যা করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে ৩ নভেম্বর কলঙ্কময় ও বেদনাবিধুর একটি দিন।

জাতীয় চার নেতা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, যারা লোভ লালসা এবং ক্ষমতার আহবানকে উপেক্ষা করে ন্যায় ও সত্যের পতাকাকে সমুন্নত রেখেছিলেন। লোভ ও চাপের কাছে আত্মসমর্পণ না করে তারা জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করতে নেই এবং দেশ ও জাতির বিশ্বাসঘাতকদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হতে নেই।

বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নক্ষত্রের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে , উনাদের আত্মত্যাগের মত আসুন কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্রকারীদের সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ হিসাবে গড়ে তুলি। ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলার আলোর মিছিলকে এগিয়ে নেই। ম্যাদার অব হিউম্যানিটি মানণীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার জন্য দেশে বিদেশে বসবাসকারী সবার প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এখানে উল্লেখ্য যে, বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কিত অধ্যায় জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতা বিরোধীরা নির্মমভাবে হত্যা করে জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

চরম নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতার সাক্ষী হচ্ছে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। দেশের আপামর জনতা যাদের নেতৃত্বে ও নির্দেশে এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে মাত্র নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে এ দেশেকে স্বাধীন করেছিল।

যুদ্ধকালীন সময় সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের সমধিক পরিচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামান পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর বিশ্বাসঘাতক খোন্দকার মোশতাকের আশীর্বাদপুষ্ট খুনি ফারুক-রশিদ চক্র জেল কোড ভঙ্গ করে চরম নির্মম ভাবে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করে জাতীয় চার নেতাকে!! জেল হত্যা ছিল স্বাধীনতা বিরোধীদের একটি ষড়যন্ত্রমূলক নীলনকশার সুদূর প্রসারী বাস্তবায়ন।

Facebook Comments Box