ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি
- আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশ ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই কথা বলেন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, সরকার দেশের অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ন্যায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়গুলোর পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়নে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। তিনি জানান, পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হয়েছে। এছাড়াও ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কার্যকর এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পড়ুন>>টিভিতে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডেসহ দিনের যত খেলা
রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা বাংলাভাষী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শরতের নির্মল আকাশ, শুভ্র কাশফুল আর উৎসবের আনন্দঘন আবহে দেবী দুর্গার আগমন ভক্তদের হৃদয়ে নতুন আশা ও কল্যাণের প্রত্যয় জাগিয়ে তোলে। তার মতে, দুর্গোৎসবের অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়।
তিনি আরও বলেন, এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় আবহমানকাল ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে, যা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। এই উৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কেবল ধর্মীয় আয়োজনই নয়, বরং এটি বাংলার চিরায়ত সমাজ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে। দুর্গাপূজায় সমাজের সব স্তরের মানুষ সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায় যেন নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্ভয়ে, স্বাধীন, নিরাপদ ও আনন্দমুখর পরিবেশে পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
আরও বলেন তিনি, প্রতিটি ধর্ম মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। ধর্ম, বর্ণ বা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে কোনো মানুষ যেন বৈষম্য, বঞ্চনা বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, তার নিশ্চয়তা বিধান রাষ্ট্রের দায়িত্ব। শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ যাতে সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে, তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরিশেষে, রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। সব ভেদাভেদ ভুলে মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ুক—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি দেশে ও বিদেশে দুর্গোৎসব উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন। তিনি পুনরায় আহ্বান জানান যেন সবাই যার যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলেন এবং মানবতার কল্যাণে নিবেদিত থাকেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























