ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মিরসরাইয়ে তৈরি হচ্ছে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন

সৃষ্টি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ১১৭৪৭ বার পড়া হয়েছে

মিরসরাইয়ে তৈরি হচ্ছে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

মিরসরাইয়ে তৈরি হচ্ছে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন

 

 

মিরসরাইয়ে বুলেট ও ট্যাংকের যন্ত্রাংশ উৎপাদনে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড)-এ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বা সামরিক শিল্পাঞ্চল গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই শিল্পাঞ্চলে বুলেট, ট্যাংকের যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষেরহ (বেজা) গভর্নিং বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।

পড়ুন>> দেশেই তৈরি হবে সামরিক ড্রোন: চীনের সঙ্গে জি-টু-জি চুক্তি

 

 

বেজা ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, মিরসরাইয়ের প্রায় ৮৫০ একর জমিকে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হিসেবে ইয়ারমার্ক করা হয়েছে। ওই জমিটি আগে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও জি-টু-জি কাঠামো থেকে প্রকল্পটি বাদ দেওয়ায় বর্তমানে জায়গাটি খালি রয়েছে।

 

 

 

তিনি বলেন, “ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছে। বৈশ্বিকভাবে সামরিক পণ্যের চাহিদা রয়েছে। একেবারে অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখলে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি বিশ্বব্যাপী বাড়ছে এবং সেখানে বাংলাদেশ একটি অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।”

 

 

আশিক মাহমুদ আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকট বা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অস্ত্র ও সরঞ্জামের সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেয়। সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে দেখা গেছে, ঘাটতি উচ্চ প্রযুক্তির ফাইটার জেটে নয়; বরং বুলেট কিংবা ট্যাংকের এক্সেলের মতো মৌলিক সামরিক উপকরণে। এসব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

 

তিনি জানান, এ বিষয়ে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন, বেজা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। গভর্নিং বোর্ডের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মিরসরাইয়ের ওই ৮৫০ একর জমিকে বেজার মাস্টার প্ল্যানে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈশ্বিক সামরিক শিল্পবাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য সরকারের।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মিরসরাইয়ে তৈরি হচ্ছে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন

আপডেট সময় : ১১:০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

 

মিরসরাইয়ে তৈরি হচ্ছে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন

 

 

মিরসরাইয়ে বুলেট ও ট্যাংকের যন্ত্রাংশ উৎপাদনে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড)-এ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বা সামরিক শিল্পাঞ্চল গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই শিল্পাঞ্চলে বুলেট, ট্যাংকের যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

 

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষেরহ (বেজা) গভর্নিং বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সভাপতিত্ব করেন।

পড়ুন>> দেশেই তৈরি হবে সামরিক ড্রোন: চীনের সঙ্গে জি-টু-জি চুক্তি

 

 

বেজা ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, মিরসরাইয়ের প্রায় ৮৫০ একর জমিকে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হিসেবে ইয়ারমার্ক করা হয়েছে। ওই জমিটি আগে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত থাকলেও জি-টু-জি কাঠামো থেকে প্রকল্পটি বাদ দেওয়ায় বর্তমানে জায়গাটি খালি রয়েছে।

 

 

 

তিনি বলেন, “ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশন নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা চলছে। বৈশ্বিকভাবে সামরিক পণ্যের চাহিদা রয়েছে। একেবারে অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখলে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি বিশ্বব্যাপী বাড়ছে এবং সেখানে বাংলাদেশ একটি অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।”

 

 

আশিক মাহমুদ আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকট বা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অস্ত্র ও সরঞ্জামের সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেয়। সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে দেখা গেছে, ঘাটতি উচ্চ প্রযুক্তির ফাইটার জেটে নয়; বরং বুলেট কিংবা ট্যাংকের এক্সেলের মতো মৌলিক সামরিক উপকরণে। এসব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

 

তিনি জানান, এ বিষয়ে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন, বেজা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। গভর্নিং বোর্ডের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মিরসরাইয়ের ওই ৮৫০ একর জমিকে বেজার মাস্টার প্ল্যানে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বৈশ্বিক সামরিক শিল্পবাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য সরকারের।

 

 

 

Facebook Comments Box