ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তাড়াশে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ শরতেই শীতের আগমনী বার্তা, আগাম কুয়াশার চাদরে ঢাকা চারপাশ রাণীশংকৈলে ইটভাটা সংলগ্ন ধানক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার  রাণীশংকৈলে মতবিনিময় সভায় সারের কৃত্রিম সংকট রোধে কঠোর পদক্ষেপের তাগিদ  তেরঙ্গা ওড়াও কর্মসূচির আগে ফের আটক অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে সমাবেশ শুরুর আগে আটক দুই নেতা বার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েও নিজেকে আইনজীবী দাবি ট্রাম্পের প্রেস অপতথ্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান বিমানমন্ত্রীর জেরুজালেমে দূতাবাস: কলম্বিয়ার সিদ্ধান্তে কাতারের তীব্র নিন্দা ১৮ বছর পর ফের একসঙ্গে অপু বিশ্বাস ও আদনান

বন্যার্তদের সহযোগিতায় তারুণ্যের প্রতীক সামাজিক সংগঠন ও সুনামগঞ্জের যুব সামাজ

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪ ২১৯ বার পড়া হয়েছে

বন্যার্তদের সহযোগিতায় তারুণ্যের প্রতীক সামাজিক সংগঠন ও সুনামগঞ্জের যুব সামাজ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বন্যার্তদের সহযোগিতায় তারুণ্যের প্রতীক সামাজিক সংগঠন ও সুনামগঞ্জের যুব সামাজ

সাম্প্রতিক স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীসহ বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকায় শুকনো খাবারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যে নিয়ে রওনা হয়েছে তারুণ্যের প্রতীক সামাজিক সংগঠন ও সুনামগঞ্জের যুব সামাজ।

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সের উদ্যোগে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ওই সংগঠন থেকে তারা সকল শিক্ষার্থীরা কালেকশন করেন। পরবর্তীতে ৭০ হাজার টাকার শুকনো খাবার রাতভর প্যাকেটিং করে। পরে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে একটি ট্রাকে করে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

এ সময় শিক্ষার্থী প্রিন্স বলেন, আমি আমাদের সংগঠন ও আত্মীয়স্বজন পরিবারের সকলের সহযোগীতায় এই কাজে অনুপ্রেরিত হই। বিগত দিনেও সুনামগঞ্জের মহামারী করোনায় বন্যায় আমি সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি এবং ছিলাম। আজকে এই ভয়াবহ বন্যায় দুর্গত সময়ে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীর বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।

এখন আপাতত ৭০ হাজার টাকার ২২৫ প্যাকেট নিয়ে সুনামগঞ্জ থেকে আমরা ছয় জন যাচ্ছি। আমাদের প্রতিটি প্যাকেটে থাকছে। ১ কেজি মুড়ি, ১কেজি চিরা, ২লিটার পানি, ৫০ টাকা দামের বিস্কুট, ৫০ টাকা দামের চানাচুর, ৪ টি করে সেলাইন, ৬টি করে নাপা এক্সটা, ৩০০ গ্রাম গুড়, ১টি করে লাইটার ও ১প্যাকেট করে মোমবাতি। এবং অবশিষ্ট টাকাগুলো আমরা সেখানে গিয়ে রান্না করে খাওয়ানোর চেষ্টা করব।

তিনি আরো বলেন, যে সকল বড় ভাইয়েরা আমাদের এই উদ্যোগটাকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতিও আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আমাদের জন্য আপনারা দোয়া করবেন যাতে করে সুন্দরভাবে আপনাদের দেওয়া ভালোবাসা তাদের হাতে পৌঁছে দিতে পারি। আমাদের এই কার্যক্রম সব সময় অব্যাহত থাকবে।

আজকে আমার সাথে যাত্রা পথে সঙ্গী হয়েছেন, আবু তালহা, তাহসিন আহমেদ, ইজাজ উল্লাহ রবিন, রেজুয়ান হোসেন, ফাইয়াজ চৌধুরী শাওন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বন্যার্তদের সহযোগিতায় তারুণ্যের প্রতীক সামাজিক সংগঠন ও সুনামগঞ্জের যুব সামাজ

আপডেট সময় : ০৭:২৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

বন্যার্তদের সহযোগিতায় তারুণ্যের প্রতীক সামাজিক সংগঠন ও সুনামগঞ্জের যুব সামাজ

সাম্প্রতিক স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীসহ বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকায় শুকনো খাবারসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যে নিয়ে রওনা হয়েছে তারুণ্যের প্রতীক সামাজিক সংগঠন ও সুনামগঞ্জের যুব সামাজ।

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সের উদ্যোগে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ওই সংগঠন থেকে তারা সকল শিক্ষার্থীরা কালেকশন করেন। পরবর্তীতে ৭০ হাজার টাকার শুকনো খাবার রাতভর প্যাকেটিং করে। পরে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে একটি ট্রাকে করে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

এ সময় শিক্ষার্থী প্রিন্স বলেন, আমি আমাদের সংগঠন ও আত্মীয়স্বজন পরিবারের সকলের সহযোগীতায় এই কাজে অনুপ্রেরিত হই। বিগত দিনেও সুনামগঞ্জের মহামারী করোনায় বন্যায় আমি সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি এবং ছিলাম। আজকে এই ভয়াবহ বন্যায় দুর্গত সময়ে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীর বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।

এখন আপাতত ৭০ হাজার টাকার ২২৫ প্যাকেট নিয়ে সুনামগঞ্জ থেকে আমরা ছয় জন যাচ্ছি। আমাদের প্রতিটি প্যাকেটে থাকছে। ১ কেজি মুড়ি, ১কেজি চিরা, ২লিটার পানি, ৫০ টাকা দামের বিস্কুট, ৫০ টাকা দামের চানাচুর, ৪ টি করে সেলাইন, ৬টি করে নাপা এক্সটা, ৩০০ গ্রাম গুড়, ১টি করে লাইটার ও ১প্যাকেট করে মোমবাতি। এবং অবশিষ্ট টাকাগুলো আমরা সেখানে গিয়ে রান্না করে খাওয়ানোর চেষ্টা করব।

তিনি আরো বলেন, যে সকল বড় ভাইয়েরা আমাদের এই উদ্যোগটাকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতিও আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আমাদের জন্য আপনারা দোয়া করবেন যাতে করে সুন্দরভাবে আপনাদের দেওয়া ভালোবাসা তাদের হাতে পৌঁছে দিতে পারি। আমাদের এই কার্যক্রম সব সময় অব্যাহত থাকবে।

আজকে আমার সাথে যাত্রা পথে সঙ্গী হয়েছেন, আবু তালহা, তাহসিন আহমেদ, ইজাজ উল্লাহ রবিন, রেজুয়ান হোসেন, ফাইয়াজ চৌধুরী শাওন।

Facebook Comments Box