ভূরুঙ্গামারীতে নির্বিচারে চায়না জালে বিলুপ্ত হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ
- আপডেট সময় : ০৯:১৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই ২০২১ ৩৪৯ বার পড়া হয়েছে
ভূরুঙ্গামারীর নদ-নদীগুলোতে অতি সূক্ষ্ম বিশেষ জাল দিয়ে নির্বিচারে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ নিধন করছে একটি অসাধু চক্র। এতে ভরা মৌসুমে নদ-নদীগুলো মাছ শূন্য হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের পর শুরু হয়েছে কারেন্ট জালের চেয়েও সূক্ষ্ম চায়না জালের ব্যবহার। চায়না জাল নদী জুড়ে ছড়িয়ে ছটিয়ে রাখা হয়। এতে সব ধরনের দেশীয় মাছ ধরা পড়ে। বিশেষ পানির নিচে মাটির কাছাকাছি দিয়ে চলাচল করা মাছ গুলো।বর্ষা মৌসুমে ডিমওয়ালা মাছ মাটির কাছাকাছি চলাচল করায় আটকা পড়ছে এসব মাছ।ড়িম পাড়ার আগেই এসব মাছ ধরা পড়ায় ক্রমেই মাছ শূন্য হয়ে পড়ছে নদীগুলো।
জানা যায়, এক শ্রেণীর অসাধু মাছ ব্যবসায়ী বাজার থেকে কিনে আবার কেউ কেউ নেট কিনে তার সাথে লোহার চিকন রিং দিয়ে বিশেষ কায়দায় ৭০/৮০ ফুট লম্বা এক ধরনের মাছ ধরার ফাঁদ তৈরি করছেন। এসব ফাঁদের রযেছে বাহারি নাম। কেউ বলছেন ম্যাজিক জাল, কেউ বলছেন পাইলিং জাল, ড্রাগন জালও বলছেন কেউ কেউ। তবে চায়না জাল নামেই বেশী পরিচিত।
উপজেলার দুধকমার, কালজানি, শংকোচ নদ সহ ডোবা নালা ও বিলের বিভিন্ন স্থানে এসব জাল পেতে অবাধে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ডিঙি নৌকা দিয়ে প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু হয় জাল পাতার প্রক্রিয়া। সারারাত পেতে রাখার পর সকালে জাল তুলে মাছ ধরা হয়।
জালে ধরা পড়ছে বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। ছোট বড় কোন মাছই রেহাই পাচ্ছেনা। শুধু মাছই নয়, নদীতে থাকা ব্যাঙ, কুচে সহ জলজ প্রাণীও রক্ষা পাচ্ছে না এই জাল থেকে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী বলেন, যারা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা নিধন করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























