মোহাম্মদপুরে চাঁদার টাকা নিয়ে বিরোধে বাবা-ছেলে আহত
- আপডেট সময় : ০৮:৪৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে ময়ূরভিলার সামনে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চাঁদা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ফুটপাতে ব্যবসা করা মো. সুমন (৪৫) ও তার ছেলে ফাহিম (১৮) এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, ভ্যানে করে আলু-পেঁয়াজ বিক্রি করার সময় ছয় থেকে সাতজন দুর্বৃত্ত অতর্কিতে তাদের ওপর হামলা চালায়। আহত দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সুমন ও তার ছেলে দুজনে মিলে প্রতিদিনের ন্যায় ময়ূরভিলার সামনে আলু-পেঁয়াজ বিক্রি করছিলেন। এদিকে ঢামেকে চিকিৎসা নেয়া আহত মো. ফাহিম বলেন, রাতে কাঁচামালের দোকানে বসা ছিলাম এ সময় মুখ ও মাথায় মাস্ক, রুমাল ও ক্যাপ পরা ছয়জন দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ফুটপাতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট চক্রকে নিয়মিত চাঁদা দিতে হয়। সম্প্রতি এই চাঁদার হার বাড়ানোর চাপ সৃষ্টি করলে তা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। স্থানীয়রা জানান, এই চাঁদাবাজির নেপথ্যে রয়েছে ‘কাইল্যা বাদল’ নামে পরিচিত বাদল শরীফ, যিনি শ্রমিক দলের পরিচয় ব্যবহার করে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করেন। উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাদলকে গ্রেপ্তার করলেও তার অনুসারীরা ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। কিন্তু কিছুদিন ধরেই এই চাঁদার টাকা বাড়িয়ে দেয়ার জন্য জোরাজোরি করছিল সংশ্লিষ্ঠরা। সম্প্রতি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বাদল গ্রেপ্তারের পর তার অনুসারীরা ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন।
- আহত মো. সুমন ও তার ছেলে ফাহিম মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে ময়ূরভিলার সামনে ভ্যানে করে কাঁচামাল বিক্রি করতেন।
- ঘটনার সময় মুখ ও মাথায় মাস্ক এবং টুপি পরা ছয় থেকে সাতজন দুর্বৃত্ত সুমনের পায়ে গুলি করে এবং তার ছেলে ফাহিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি জখম করে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
আহত ফাহিম জানিয়েছেন, হামলাকারীরা ‘সাজ্জাদ গ্রুপ’র সদস্য। তাদের মধ্যে মুন্না, রাব্বি ও মনির হোসেনসহ ছয়জনকে তিনি চিনতে পেরেছেন। ফাহিমের অভিযোগ, গত মাসে একইভাবে তার মামা ফরহাদকেও এই চক্রটি হত্যা করেছিল। হামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে ফাহিম দৌড় দিলে হামলাকারীরা তার পেটের ডান পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। পরে তার বাবা সুমন তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে আমার বাবা দূর থেকে দেখতে পেয়ে দৌড়ে এসে আমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং হামলাকারীদের একজনকে জাপটে ধরেন। তাদের ছয়জনের মধ্যে মুন্না (২৬), রাব্বি (২৬) ও মনির হোসেন নামে কয়েকজনকে চিনতে পেরেছি।
সূত্র: মানবজমিন
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























