ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরুঙ্গামারীতে তিন মাস থেকে অনুপস্থিত  উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২ ৩৪৫ বার পড়া হয়েছে

ভূরুঙ্গামারীতে তিন মাস থেকে অনুপস্থিত  উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রায় তিন মাস যাবত অফিসে উপস্থিত না থাকায় সেবা গ্রহীতাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, পাথরডুবি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আমির হোসেন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে গত ২০২০ সালের ফেব্রম্নয়ারী মাসে পাথরডুবি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদান করেন। কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা কালে তার বিরুদ্ধে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা হয়। এতে তাকে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা থেকে পদাবনতি দিয়ে (বেতনস্কেলসহ) ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা করে ভূরুঙ্গামারীর পাথরডুবি ইউনিয়নে শাস্তিমূলক বদলী করা হয়।

জানাযায়, পাথরডুবি ইউনিয়ন ভুমি অফিসে কর্মকালিন সময়ে পুর্বের ন্যায় আমির হোসেন ভূমি অফিসের প্রায় ৫৪,০০০ টাকা সহ স্থানীয় কয়েক ব্যক্তির নিকট থেকে কাজ করে দেয়ার কথা বলে প্রায় চার লক্ষ টাকা নিয়ে তিন মাস যাবত অফিস করছেন না। এই তিন মাস থেকে তালা বদ্ধ রয়েছে ইউনিয়ন ভুমি অফিসটি। এব্যাপারে তাকে শোকজ করা হলেও তিনি শোকজের জবাব নাদিয়ে ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত রয়েছেন।

৫নং ওয়ার্ডের মকবুল হোসেন জানান, খারিজের জন্য নয় মাস আগে তহশিলদারকে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছি। খারিজ হয় নাই। তিন মাস যাবত তিনি অফিসে আসছেন না।

আবুল কাশেম জানান, পাঁচ মাস আগে জমি খারিজ করতে তহশিলদারকে ৪ হাজার টাকা দিয়েছি। তহশীলদার না থাকায় খারিজ আটকে রয়েছে।
ইসমাইল হোসেন জানান, খাজনা দিতে এসেছি। অফিস বন্ধ থাকায় খাজনা দিতে পারলাম না।

পাথরডুবি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর জানান, তহশিলদার না থাকায় পাথরডুবি ইউনিয়নের মানুষ প্রায় তিন মাস যাবত ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। দ্রুত একজন তহশিলদার নিয়োগর জন্য তিনি দাবী জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা জানান, ইতিপূর্বে তাকে দু’বার শোকজ কর হয়েছে এবং সর্বশেষ সহকারী কমিশনার (ভুমি) তাহমিদুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করেছেন। সহকারী কমিশনার (ভুমি) ট্রেনিংয়ে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীতে তিন মাস থেকে অনুপস্থিত  উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা প্রায় তিন মাস যাবত অফিসে উপস্থিত না থাকায় সেবা গ্রহীতাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, পাথরডুবি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আমির হোসেন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে গত ২০২০ সালের ফেব্রম্নয়ারী মাসে পাথরডুবি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদান করেন। কাশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকা কালে তার বিরুদ্ধে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা হয়। এতে তাকে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা থেকে পদাবনতি দিয়ে (বেতনস্কেলসহ) ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা করে ভূরুঙ্গামারীর পাথরডুবি ইউনিয়নে শাস্তিমূলক বদলী করা হয়।

জানাযায়, পাথরডুবি ইউনিয়ন ভুমি অফিসে কর্মকালিন সময়ে পুর্বের ন্যায় আমির হোসেন ভূমি অফিসের প্রায় ৫৪,০০০ টাকা সহ স্থানীয় কয়েক ব্যক্তির নিকট থেকে কাজ করে দেয়ার কথা বলে প্রায় চার লক্ষ টাকা নিয়ে তিন মাস যাবত অফিস করছেন না। এই তিন মাস থেকে তালা বদ্ধ রয়েছে ইউনিয়ন ভুমি অফিসটি। এব্যাপারে তাকে শোকজ করা হলেও তিনি শোকজের জবাব নাদিয়ে ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত রয়েছেন।

৫নং ওয়ার্ডের মকবুল হোসেন জানান, খারিজের জন্য নয় মাস আগে তহশিলদারকে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছি। খারিজ হয় নাই। তিন মাস যাবত তিনি অফিসে আসছেন না।

আবুল কাশেম জানান, পাঁচ মাস আগে জমি খারিজ করতে তহশিলদারকে ৪ হাজার টাকা দিয়েছি। তহশীলদার না থাকায় খারিজ আটকে রয়েছে।
ইসমাইল হোসেন জানান, খাজনা দিতে এসেছি। অফিস বন্ধ থাকায় খাজনা দিতে পারলাম না।

পাথরডুবি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর জানান, তহশিলদার না থাকায় পাথরডুবি ইউনিয়নের মানুষ প্রায় তিন মাস যাবত ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। দ্রুত একজন তহশিলদার নিয়োগর জন্য তিনি দাবী জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা জানান, ইতিপূর্বে তাকে দু’বার শোকজ কর হয়েছে এবং সর্বশেষ সহকারী কমিশনার (ভুমি) তাহমিদুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করেছেন। সহকারী কমিশনার (ভুমি) ট্রেনিংয়ে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।

Facebook Comments Box