ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে পিপিআর রোগের বিনামূল্যে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত প্রবীণদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরসরাইয়ে গৃহায়নের দুই আবাসন প্রকল্পে স্থবিরতা ও অনিয়মের বেড়াজাল ভালো নাম ও ডাকনামের নানামুখী রসায়ন কৈশোরের আলো ছড়ানোর ১৩ বছর ও আমাদের ভাবনা ক্যালিফোর্নিয়ায় সরকারি ছুটির স্বীকৃতি পেল ঈদুল ফিতর ও আজহা পেট্রোবাংলায় ৭৫৩ জন নিয়োগ: আবেদন চলবে এক মাস নেতানিয়াহু সীমা অতিক্রম করেছেন, কড়া বার্তা কাতারের প্রধানমন্ত্রীর

ভূরুঙ্গামারীতে জমি রক্ষায় মালিকদের সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০ ৬৩০ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

সৃষ্টি ডেস্ক: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিকে সামরিক ভূ-সম্পত্তি দাবী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূমি মালিকরা।রোববার দুপুরে ভূরুঙ্গামারী বনিক সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ভূমি মালিকরা।সংবাদ সম্মেলনে স্বত্ব দখলীয় ভূমি মালিক সমিতির আহবায়ক তাইফুর রহমান মুকুল লিখিত বক্তব্যে দাবী করেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময় বাগভান্ডার হতে সোনাহাট স্থলবন্দর পর্যন্ত রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু অল্প সময়ে যুদ্ধ শেষ হওয়ায় রাস্তার জমি অধিগ্রহণ করা হয় নাই এমনকি জমির মালিকদের কোন ক্ষতি পূরণ প্রদান করা হয় নাই। সামরিক  ভূ-সম্পত্তি নর্দান সার্কেলের দাবী করা জমিগুলো ব্যক্তি মালিকানায় এস.এ রেকর্ড ভুক্ত। ভূরুঙ্গামারীর তৎকালীন সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা কাগজপত্র সঠিক না থাকায় ডিসপুট কেসগুলো না মঞ্জুর

করে ব্যক্তি মালিকগনের নামে রেকর্ড বহাল রাখেন এবং ডি.পি খতিয়ান প্রস্তুত করেন। ভূমি মালিকরা দাবি করেন সম্প্রতি বগুড়া সেনানিবাসের (নর্দান সার্কেল) ভূ-সম্পতি প্রশাসক সম্পত্তিগুলো নিজেদের দাবী করে রেকর্ড করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন। তারা বলেন উক্ত জমিতে প্রায় ৪/৫ হাজার পরিবার বসতবাড়ি, দোকানপাট, ব্যাংক-বিমা অফিস সহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মান করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এমতাবস্থায় ভূমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হলে তারা অসহায় হয়ে পড়বে।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলাধীন আসাম

বেঙ্গল এ্যাকসেস মিলিটারী রোড নির্মানের জন্য বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫টি মৌজার ৯৮.৭০ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়। যা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জমি দাবী করা হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মালিক আলহাজ্ব আব্দুল গফুর, লুৎফর রহমান, ভূরুঙ্গামারী বনিক সমিতির সম্পাদক মাহফুজার রহমান মামুন ব্যাপারী, রাইসুল আলম রিপন, আব্দুল বারেক প্রমুখ।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভূরুঙ্গামারীতে জমি রক্ষায় মালিকদের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০২:৫৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২০

 

সৃষ্টি ডেস্ক: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিকে সামরিক ভূ-সম্পত্তি দাবী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূমি মালিকরা।রোববার দুপুরে ভূরুঙ্গামারী বনিক সমিতির অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ভূমি মালিকরা।সংবাদ সম্মেলনে স্বত্ব দখলীয় ভূমি মালিক সমিতির আহবায়ক তাইফুর রহমান মুকুল লিখিত বক্তব্যে দাবী করেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময় বাগভান্ডার হতে সোনাহাট স্থলবন্দর পর্যন্ত রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু অল্প সময়ে যুদ্ধ শেষ হওয়ায় রাস্তার জমি অধিগ্রহণ করা হয় নাই এমনকি জমির মালিকদের কোন ক্ষতি পূরণ প্রদান করা হয় নাই। সামরিক  ভূ-সম্পত্তি নর্দান সার্কেলের দাবী করা জমিগুলো ব্যক্তি মালিকানায় এস.এ রেকর্ড ভুক্ত। ভূরুঙ্গামারীর তৎকালীন সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা কাগজপত্র সঠিক না থাকায় ডিসপুট কেসগুলো না মঞ্জুর

করে ব্যক্তি মালিকগনের নামে রেকর্ড বহাল রাখেন এবং ডি.পি খতিয়ান প্রস্তুত করেন। ভূমি মালিকরা দাবি করেন সম্প্রতি বগুড়া সেনানিবাসের (নর্দান সার্কেল) ভূ-সম্পতি প্রশাসক সম্পত্তিগুলো নিজেদের দাবী করে রেকর্ড করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন। তারা বলেন উক্ত জমিতে প্রায় ৪/৫ হাজার পরিবার বসতবাড়ি, দোকানপাট, ব্যাংক-বিমা অফিস সহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মান করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এমতাবস্থায় ভূমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হলে তারা অসহায় হয়ে পড়বে।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভূরুঙ্গামারী উপজেলাধীন আসাম

বেঙ্গল এ্যাকসেস মিলিটারী রোড নির্মানের জন্য বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫টি মৌজার ৯৮.৭০ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়। যা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জমি দাবী করা হচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মালিক আলহাজ্ব আব্দুল গফুর, লুৎফর রহমান, ভূরুঙ্গামারী বনিক সমিতির সম্পাদক মাহফুজার রহমান মামুন ব্যাপারী, রাইসুল আলম রিপন, আব্দুল বারেক প্রমুখ।

 

Facebook Comments Box