ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে পাটের বাম্পার ফলন, ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২ ২৫২ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে পাটের বাম্পার ফলন, ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষীরা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :দেশে পাটকে বলা হয় সোনালি আঁশ। দেশিয় অর্থনীতির কৃষিখাতে যার বড় একটি ভূমিকা সর্বদাই পরিলক্ষিত। এছাড়া ভূমিকা রাখছে বস্ত্র শিল্পের মত অন্যান্য উৎপাদন শিল্পেও মাঝে কিছু সময় পাট চাষে দুর্দিন দেখা গেলেও অনুকুল আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হওয়ার আশায় আবার নতুন করে পাট চাষে আগ্রহী হয়েছেন চাষীরা। ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় সবকয়টি উপজেলাতেই রয়েছে পাটের আবাদ।
মৌসুম ভেদে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি কৃষকের জমিতে পাটের সবুজ ডগা দুলতে দেখা গিয়েছিলো এবার। সেই ডগা এখন কেটে ঘরে তোলার উপযোগী হয়েছে। ফলন ভালো হয়েছে। আশানুরূপ বাজারমূল্য মিললে ঘুচবে দুঃখ, তাতে খুশি চাষীরা। এই খুশির মাঝে বাধ সেধেছে খড়া ও অনাবৃষ্টি । চলমান বর্ষা মৌসুমে কয়েকটি বিল এলাকায় কিছুটা পানি থাকলেও প্রচন্ড খরা আর অনাবৃষ্টির ফলে অন্যান্য এলাকাগুলোর অধিকাংশ নদী,নালা,খাল ও বিলে নেই পর্যাপ্ত পানি। যার কারণে পাট পঁচানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে চাষীরা। এর ফলে সঠিক সময়ে ঘরে তোলা ও বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।
এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ফারাবাড়ি , হরিপুর উপজেলার জাদুরানি, রানীশংকৈল উপজেলার নেক মরদ, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী, পীরগঞ্জ উপজেলার কোশানিগঞ্জ এলাকার চাষী মোসারুল ইসলাম সাংবাদিক মজিবর রহমান শেখ কে বলেন, ৫-৭ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছি। ফলনও ভালোই হয়েছে কিন্তু নদী নালায় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় এগুলো পঁচানো সমস্যা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের চাষী রিয়াজুল ইসলাম নন্দ সাংবাদিক মজিবর রহমান শেখ কে বলেন, অনেকদিন ধরে বেজায় খরা যাচ্ছে। নদী নালা সহ খালগুলিতেও পানি নাই। যার জন্য পাট ঘরে তোলা অসুবিধা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সুত্রে জানা যায়, সমস্যাটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।
বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ জায়গায় আমরা পানি বিষয়ক সমস্যা অনেকটাই নিরসন করেছি। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টি হলেই এ সমস্যা সমাধান আরো সহজ হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য ঠাকুরগাঁও জেলা কয়েকটি উপজেলাতেই পাটের আবাদ রয়েছে। বিশেষত হরিপুর, রানীশংকৈল, পীরগঞ্জ, বালিয়াডাঙ্গী,ঠাকুরগাঁও সদর মত বিল এলাকায় এর বেশি আবাদ রয়েছে। সবমিলিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলায় এবার মোট ৪৫ হাজার হেক্টরেরও অধিক জমিতে, পাট চাষাবাদ হয়েছে ।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে পাটের বাম্পার ফলন, ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষীরা

আপডেট সময় : ০৪:২২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :দেশে পাটকে বলা হয় সোনালি আঁশ। দেশিয় অর্থনীতির কৃষিখাতে যার বড় একটি ভূমিকা সর্বদাই পরিলক্ষিত। এছাড়া ভূমিকা রাখছে বস্ত্র শিল্পের মত অন্যান্য উৎপাদন শিল্পেও মাঝে কিছু সময় পাট চাষে দুর্দিন দেখা গেলেও অনুকুল আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হওয়ার আশায় আবার নতুন করে পাট চাষে আগ্রহী হয়েছেন চাষীরা। ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রায় সবকয়টি উপজেলাতেই রয়েছে পাটের আবাদ।
মৌসুম ভেদে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি কৃষকের জমিতে পাটের সবুজ ডগা দুলতে দেখা গিয়েছিলো এবার। সেই ডগা এখন কেটে ঘরে তোলার উপযোগী হয়েছে। ফলন ভালো হয়েছে। আশানুরূপ বাজারমূল্য মিললে ঘুচবে দুঃখ, তাতে খুশি চাষীরা। এই খুশির মাঝে বাধ সেধেছে খড়া ও অনাবৃষ্টি । চলমান বর্ষা মৌসুমে কয়েকটি বিল এলাকায় কিছুটা পানি থাকলেও প্রচন্ড খরা আর অনাবৃষ্টির ফলে অন্যান্য এলাকাগুলোর অধিকাংশ নদী,নালা,খাল ও বিলে নেই পর্যাপ্ত পানি। যার কারণে পাট পঁচানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে চাষীরা। এর ফলে সঠিক সময়ে ঘরে তোলা ও বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা নিয়ে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।
এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ফারাবাড়ি , হরিপুর উপজেলার জাদুরানি, রানীশংকৈল উপজেলার নেক মরদ, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী, পীরগঞ্জ উপজেলার কোশানিগঞ্জ এলাকার চাষী মোসারুল ইসলাম সাংবাদিক মজিবর রহমান শেখ কে বলেন, ৫-৭ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছি। ফলনও ভালোই হয়েছে কিন্তু নদী নালায় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় এগুলো পঁচানো সমস্যা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের চাষী রিয়াজুল ইসলাম নন্দ সাংবাদিক মজিবর রহমান শেখ কে বলেন, অনেকদিন ধরে বেজায় খরা যাচ্ছে। নদী নালা সহ খালগুলিতেও পানি নাই। যার জন্য পাট ঘরে তোলা অসুবিধা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সুত্রে জানা যায়, সমস্যাটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।
বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ জায়গায় আমরা পানি বিষয়ক সমস্যা অনেকটাই নিরসন করেছি। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টি হলেই এ সমস্যা সমাধান আরো সহজ হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য ঠাকুরগাঁও জেলা কয়েকটি উপজেলাতেই পাটের আবাদ রয়েছে। বিশেষত হরিপুর, রানীশংকৈল, পীরগঞ্জ, বালিয়াডাঙ্গী,ঠাকুরগাঁও সদর মত বিল এলাকায় এর বেশি আবাদ রয়েছে। সবমিলিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলায় এবার মোট ৪৫ হাজার হেক্টরেরও অধিক জমিতে, পাট চাষাবাদ হয়েছে ।

Facebook Comments Box