ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাটোর থেকে জার্মান পর্যটকের হারানো ল্যাপটপ উদ্ধার জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে এমপিদের প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তা ফেনীতে বিজিবির অভিযানে অর্ধকোটি টাকার বেশি মূল্যের মদ ও গরু জব্দ রাণীশংকৈলে শয়নকক্ষ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: মায়ের মামলায় অপমৃত্যুর তদন্ত এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর

ধর্মপাশায় ও মধ্যনগরে বোরো ধানে ব্লাস্টের রোগের আক্রমণ কৃষকের মাথায় হাত

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

ধর্মপাশায় ও মধ্যনগরে বোরো ধানে ব্লাস্টের রোগের আক্রমণ কৃষকের মাথায় হাত

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা এবং মধ্যনগর উপজেলার বোরো ধানে ব্লাস্টের রোগের আক্রমণ কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। এলাকার ছোট-বড় প্রায় সব হাওরেই ব্লাস্ট রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছ।

এমন অবস্থায় বোরো ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই কৃষকদের মধ্যে নেমে এসেছে হতাশার ছায়া।

ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায় ধর্মপাশা এবং মধ্যনগর উপজেলায় ৩১ হাজার ৮৫০ সেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে।

পড়ুন>>হিট স্টোকে ধান চিটা হওয়া থেকে বাঁচানোর কৌশল

এই এলাকার সকল কৃষক, বছরের একটি ফসলের আশায় থাকে। তাই এই মহামারী রোগে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কৃষকেরা দিশেহারা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানায় প্রথমে ধানের পাতায় ছোট ছোট ডিম্বাকৃতির সাদা ও বাদামী বর্ণের দাগ দেখা দেয় এবং পরে পুরো গায়ে ছড়িয়ে পড়ে।

সংক্রমণ বেশি হলে ধানের রঙ রোদে পুড়ে যাওয়ার মতো হয় ফলে ধানের ভিতর চাল থাকে না।

এ বিষয়ে পাইকুরাটি ইউনিয়নের বৌলাম গ্রামের কৃষক ইছব আলী বলেন, গোয়াগাছিয়া ও শৈইলচাপড়া হাওরে বেশ কিছু জমিতে এ রোগ দেখা দিয়েছে।

পড়ুন>>ইরি ধানের চারার ব্লাইট রোগ ও প্রতিকার

কৃষকরা কিছু বুঝার আগেই এই রোগ দেখা দেয়।তিনি আরো বলেন সরকার এই মহামারী রোগের প্রতিকার ব্যবস্থা না নিলে কৃষক ধান চাষের উৎসাহ হারাবে।

এ বিষয়ে ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, বোরো ধানের জমিতে এ রোগ দেখা দেওয়ার খবর জানার পরেই আমি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করি এবং কার্যকরী পরামর্শ দেই।

মূলত জমিতে ইউরিয়া প্রয়োগ, দিনে গরম ও রাতে ঠান্ডা আবহাওয়া এবং অসময়ে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হওয়া এ রোগ হওয়ার মূল কারণ। তিনি আরও বলেন, ২৮ জাতের ধানে (ব্লাস্ট) এই রোগের সংক্রমণ বেশি।

প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ সনাক্ত করা গেলে তবে ব্লাস্ট দমন করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন বোরো ধানের এই রোগ নিয়ে ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে সমস্ত উপজেলায় কৃষকদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জনসচেতনতা মূলক সভা ও লিফলেট বিতরণ করেছি ।

এ বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ এবং যে কোনো সেবা দেয়ার জন্য আমরা মাঠে কাজ করছি।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধর্মপাশায় ও মধ্যনগরে বোরো ধানে ব্লাস্টের রোগের আক্রমণ কৃষকের মাথায় হাত

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা এবং মধ্যনগর উপজেলার বোরো ধানে ব্লাস্টের রোগের আক্রমণ কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। এলাকার ছোট-বড় প্রায় সব হাওরেই ব্লাস্ট রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছ।

এমন অবস্থায় বোরো ধানের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই কৃষকদের মধ্যে নেমে এসেছে হতাশার ছায়া।

ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায় ধর্মপাশা এবং মধ্যনগর উপজেলায় ৩১ হাজার ৮৫০ সেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে।

পড়ুন>>হিট স্টোকে ধান চিটা হওয়া থেকে বাঁচানোর কৌশল

এই এলাকার সকল কৃষক, বছরের একটি ফসলের আশায় থাকে। তাই এই মহামারী রোগে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কৃষকেরা দিশেহারা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানায় প্রথমে ধানের পাতায় ছোট ছোট ডিম্বাকৃতির সাদা ও বাদামী বর্ণের দাগ দেখা দেয় এবং পরে পুরো গায়ে ছড়িয়ে পড়ে।

সংক্রমণ বেশি হলে ধানের রঙ রোদে পুড়ে যাওয়ার মতো হয় ফলে ধানের ভিতর চাল থাকে না।

এ বিষয়ে পাইকুরাটি ইউনিয়নের বৌলাম গ্রামের কৃষক ইছব আলী বলেন, গোয়াগাছিয়া ও শৈইলচাপড়া হাওরে বেশ কিছু জমিতে এ রোগ দেখা দিয়েছে।

পড়ুন>>ইরি ধানের চারার ব্লাইট রোগ ও প্রতিকার

কৃষকরা কিছু বুঝার আগেই এই রোগ দেখা দেয়।তিনি আরো বলেন সরকার এই মহামারী রোগের প্রতিকার ব্যবস্থা না নিলে কৃষক ধান চাষের উৎসাহ হারাবে।

এ বিষয়ে ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, বোরো ধানের জমিতে এ রোগ দেখা দেওয়ার খবর জানার পরেই আমি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করি এবং কার্যকরী পরামর্শ দেই।

মূলত জমিতে ইউরিয়া প্রয়োগ, দিনে গরম ও রাতে ঠান্ডা আবহাওয়া এবং অসময়ে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হওয়া এ রোগ হওয়ার মূল কারণ। তিনি আরও বলেন, ২৮ জাতের ধানে (ব্লাস্ট) এই রোগের সংক্রমণ বেশি।

প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ সনাক্ত করা গেলে তবে ব্লাস্ট দমন করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন বোরো ধানের এই রোগ নিয়ে ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে সমস্ত উপজেলায় কৃষকদের নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জনসচেতনতা মূলক সভা ও লিফলেট বিতরণ করেছি ।

এ বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ এবং যে কোনো সেবা দেয়ার জন্য আমরা মাঠে কাজ করছি।

 

Facebook Comments Box