ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুধের পর এবার ডিম খেয়ে অসুস্থ ঠাকুরগাঁওয়ের ২০ শিক্ষার্থী রাণীশংকৈলে জামিনের ৫ দিন পর ফের ইয়াবাসহ গ্রেফতার মাদক কারবারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতেই আগামীর বিশ্ব গড়বে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিবগঞ্জে পিস্তল ও গুলিসহ আটক ২ ফরিদপুরের মধুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণহানি নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ: অস্কারজয়ী সুসান সারান্ডনসহ গ্রেপ্তার প্রায় ১০০ শি জিনপিংয়ের সম্মানে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের জাঁকজমকপূর্ণ নৈশভোজ ঢাকা কর অঞ্চল-১ এ ৩৪ পদে নিয়োগ প্রকাশ কাতারে গ্রীষ্মকালীন নিয়ম অমান্য: ৩৮৮টি কর্মক্ষেত্র সাময়িকভাবে বন্ধ এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানকে হারিয়ে নেপালের বড় অঘটন

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে?

সৃষ্টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৫১ বার পড়া হয়েছে

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে?

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে

পটকা মাছ খুবই বিষাক্ত কারণ, এর মধ্যে ‘টেট্রোডোটক্সিন নামে এক প্রকার বিষ থাকে। এই বিষ কারও শরীরে ঢুকলে মৃত্যু অবধারিত। পটকা মাছের বিষ একটি শক্তিশালী বিষাক্ত পদার্থ যা মানুষের উত্তেজক সেল মেমব্রেনের সোডিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম।

মাছের বিষাক্ত পদার্থটি তার যকৃত, ডিম্বাশয়, অন্ত্র এবং চামড়ার মধ্যে খুব বেশি ঘনীভূত থাকে, তবে শরীরের পেশীসমূহ সাধারণত বিষমুক্ত থাকে। এই বিষের ফলে মানুষের জিহ্বা এবং ঠোঁটের স্বাদ নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না, মাথা ঘোরে, বমি হয় এবং পরবর্তীতে শরীর অসাড় হয়ে আসে। সারা শরীর ঝিনঝিন করে, হ্নদস্পন্দন বেড়ে যায়, রক্তচাপ কমে যায় এবং মাংসপেশী অসাড় হয়ে পড়ে।ডায়াফ্রাম অসাড় হয়ে যাওয়ার ফলে শ্বাসতন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়।

তাই কখনই পটকা বা ট্যাপা মাছ খাবেন না। বিষাক্ত এই মাছটি দেখতে দেশি পুটি মাছের মত ছোট, পিচ্চিল শরীর,পেটটা অস্বাভাবিক মোটা। দেশের উত্তরাঞ্চলে এই মাছটিকে ট্যাপা মাছ বলে। বরিশাল অঞ্চলে পটকা মাছের কিছু প্রজাতি মারাত্মক বিষাক্ত। প্রতি বছর অজ্ঞতাবশত এটি খেয়ে কিছু মানুষ অকালে মৃত্যু বরন করেন।

এই মাছের বিষ সায়ানাইড বিষের চেয়েও ভয়ংকর। সুন্দরবন অঞ্চলে বড় পোটকা পাওয়া যায়। যেকোনো প্রজাতিরই হোক পটকা বা ট্যাপা মাছ কখনই খাবেন না। জাপানে এ মাছটি বেশি পাওয়া যায়। তবে সেটা খুবই বিষাক্ত। তারা বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাছটি ক‍্যাটারিং করে খায়।

এই মাছে এক ধরনের নিউরোটক্সিন টেট্রডটক্সিন নিসৃত হয় যা খাওয়ায় রিসপিরেটরী মাসল বা পেশী অবস হয়ে মানুষ মারা যায়। তবে ভুলবশত কেউ এই মাছ খেয়ে অসুস্থ হলে অবশ‍্যই তাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে রোগীর ভেনটিলেটরী সাপোর্ট বা আই সি ইউ প্রয়োজন হতে পারে। তাই আসুন এই মাছের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে নিজে সচেতন হই এবং অন্যকেও সচেতন করি।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে?

আপডেট সময় : ০৫:১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিষাক্ত মাছ পটকা জেনে নিন খেলে কি হবে

পটকা মাছ খুবই বিষাক্ত কারণ, এর মধ্যে ‘টেট্রোডোটক্সিন নামে এক প্রকার বিষ থাকে। এই বিষ কারও শরীরে ঢুকলে মৃত্যু অবধারিত। পটকা মাছের বিষ একটি শক্তিশালী বিষাক্ত পদার্থ যা মানুষের উত্তেজক সেল মেমব্রেনের সোডিয়াম চ্যানেল বন্ধ করে দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম।

মাছের বিষাক্ত পদার্থটি তার যকৃত, ডিম্বাশয়, অন্ত্র এবং চামড়ার মধ্যে খুব বেশি ঘনীভূত থাকে, তবে শরীরের পেশীসমূহ সাধারণত বিষমুক্ত থাকে। এই বিষের ফলে মানুষের জিহ্বা এবং ঠোঁটের স্বাদ নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না, মাথা ঘোরে, বমি হয় এবং পরবর্তীতে শরীর অসাড় হয়ে আসে। সারা শরীর ঝিনঝিন করে, হ্নদস্পন্দন বেড়ে যায়, রক্তচাপ কমে যায় এবং মাংসপেশী অসাড় হয়ে পড়ে।ডায়াফ্রাম অসাড় হয়ে যাওয়ার ফলে শ্বাসতন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়।

তাই কখনই পটকা বা ট্যাপা মাছ খাবেন না। বিষাক্ত এই মাছটি দেখতে দেশি পুটি মাছের মত ছোট, পিচ্চিল শরীর,পেটটা অস্বাভাবিক মোটা। দেশের উত্তরাঞ্চলে এই মাছটিকে ট্যাপা মাছ বলে। বরিশাল অঞ্চলে পটকা মাছের কিছু প্রজাতি মারাত্মক বিষাক্ত। প্রতি বছর অজ্ঞতাবশত এটি খেয়ে কিছু মানুষ অকালে মৃত্যু বরন করেন।

এই মাছের বিষ সায়ানাইড বিষের চেয়েও ভয়ংকর। সুন্দরবন অঞ্চলে বড় পোটকা পাওয়া যায়। যেকোনো প্রজাতিরই হোক পটকা বা ট্যাপা মাছ কখনই খাবেন না। জাপানে এ মাছটি বেশি পাওয়া যায়। তবে সেটা খুবই বিষাক্ত। তারা বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাছটি ক‍্যাটারিং করে খায়।

এই মাছে এক ধরনের নিউরোটক্সিন টেট্রডটক্সিন নিসৃত হয় যা খাওয়ায় রিসপিরেটরী মাসল বা পেশী অবস হয়ে মানুষ মারা যায়। তবে ভুলবশত কেউ এই মাছ খেয়ে অসুস্থ হলে অবশ‍্যই তাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে রোগীর ভেনটিলেটরী সাপোর্ট বা আই সি ইউ প্রয়োজন হতে পারে। তাই আসুন এই মাছের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে নিজে সচেতন হই এবং অন্যকেও সচেতন করি।

Facebook Comments Box